1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

সৌদি আরব আর মিশরে অস্ত্র বিক্রি বাড়িয়েছে জার্মানি

সৌদি আরব এবং মিশরের কাছে অস্ত্র বিক্রি ব্যাপক হারে বাড়িয়েছে জার্মানি৷ আর এ কারণে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন চ্যান্সেলর আঙ্গলা ম্যার্কেল৷ বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েছে তাঁর প্রশাসন৷

স্টেফান লিবিশ একটি প্রশ্ন করেছিলেন সংসদে আর তার উত্তর জানার পর থেকেই চলছে ম্যার্কেল সরকারের সমালোচনা৷ সাম্প্রতিক সময়ে জার্মান সরকার কী হারে অস্ত্র রপ্তানি করছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চেয়েছিলেন বাম দলের এই নেতা৷ এর জবাবে জার্মান অর্থমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি সৌদি আরব এবং মিশরে ৪৫০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ ৫২৬ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র রপ্তানির সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে জার্মান সরকার৷ এর মধ্যে মিশরে যাবে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ইউরোর অস্ত্র৷ সৌদি আরবের কাছে এই দফায় জার্মানি বিক্রি করবে তার ঠিক অর্ধেক, অর্থাৎ ১৫০ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র৷

আশ্চর্যের বিষয় হলো, সৌদি আরব আর মিশরে প্রায় চারশ' মিলিয়ন ইউরোর যে অস্ত্র জার্মানি রপ্তানি করছে, তা শুধু এ বছরের শেষ চার মাসের হিসেব৷ গত বছরের তুলনায় তা কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাত গুণেরও বেশি৷ গত বছর, অর্থাৎ ২০১৬ সালের শেষ চার মাসে, জার্মানি মিশরের কাছে বিক্রি করেছিল মাত্র ৪৫ মিলিয়ন ইউরোর অস্ত্র এবং সৌদি আরবে ৪১ মিলিয়ন  ডলারের অস্ত্র৷

বিরোধীরা মিশর এবং সৌদি আরবের ‘স্বৈরাচারী' সরকারের কাছে এমন বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বিক্রির কারণে ম্যার্কেলের জোট সরকারের সমালোচনায় মুখর৷

সৌদি আরব আর মিশর এ অস্ত্র কোথায়, কার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে সে বিষয়টি চিন্তা করে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা৷

অস্ত্রবিরোধী আন্দোলনের সংগঠন ‘আউটক্রাই অ্যাকশন – স্টপ দ্য আর্মস ট্রেড'-এর মুখপাত্র ইয়ুর্গেন গ্র্যাসলিন জার্মান সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, সরকার অস্ত্র বিক্রি সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশে সদা অনিচ্ছুক, কিন্তু তাদের এ বিষয়ে স্পষ্ট করে বলতেই হবে৷

সৌদি আরব এবং মিশরের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘‘ইয়েমেনে হাজারো মানুষের মৃত্যুর জন্য জবাবদিহি করতে হবে তাদের৷ ''

আরব বিশ্বের দরিদ্র দেশ ইয়েমেনে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর সামরিক হস্তক্ষেপের কারণে এ পর্যন্ত  প্রায় ১০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে৷ চলমান যুদ্ধের কারণে ভয়াবহ অর্থনৈতিক এবং মানবিক সংকটে পড়েছে দেশটি৷

বেন নাইট/এসিবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়