1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

সোলার সেইল দিয়ে নভোযান ছুটবে সেকেন্ডে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে

মহাশূন্যে নভোযানের গতিকে আরও বাড়িয়ে তুলতে একের পর এক নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছেন বিজ্ঞানীরা৷ সোলার সেইল হচ্ছে তারই একটি অংশ৷ সম্প্রতি ইলেকট্রনিক সোলার উইন্ড সেইল তৈরি করতে মাঠে নেমেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন৷

default

সোলার সেইল

মহাশূন্যে মানুষের যাত্রাকে আরও দূর পর্যন্ত নিয়ে যেতে নভোযানের গতি বাড়িয়ে তোলার কোন বিকল্প নেই৷ কিন্তু কিভাবে বাড়ানো যাবে এই নভোযানের গতি? বিজ্ঞানীরা এজন্য ব্যবহার করতে যাচ্ছেন সোলার উইন্ডকে৷ আমরা জানি মহাশূন্যে কোন বাতাস নেই৷ তাহলে সোলার উইন্ড আসবে কোত্থেকে? সোলার উইন্ড হলো সূর্য থেকে বিচ্ছুরিত অণু পরমাণুর ঝড় যাতে থাকে ফোটন এবং আয়ন৷ সূর্য থেকে বিচ্ছুরিত এই ঝড় বা সোলার উইন্ড থেকেই শক্তি সঞ্চয় করে থাকে একটি সোলার সেইল৷ সূর্য থেকে বিচ্ছুরিত এই ঝড়কে বাধা দেয় সোলার সেইল, এবং সেই ধাক্কায় সোলার সেইলের সঙ্গে সংযুক্ত স্পেসক্র্যাফট বা নভোযানটি গতি পায়৷ অনেকটা একটি নৌকার পালের মত৷ বাতাসের ধাক্কায় যেমন পালটি নৌকার গতি বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করে, ঠিক তেমনি নভোযানের সোলার সেইলটিও সোলার উইন্ডের ধাক্কায় নভোযানের গতি বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করে৷ এবং মহাশূন্যে এই সোলার উইন্ডের প্রচন্ড শক্তিকে যত বেশি বাধা দিতে সক্ষম হবে সোলার সেইল, নভোযানটির গতিও ততই বাড়তে থাকবে৷

কিন্তু এই সোলার সেইল তৈরি করার বিষয়টি এখনও অনেক বাকি৷ তাই গবেষকরা দিনের পর দিন গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন৷ সোলার সেইলের আকার কেমন হবে, নভোযানের কোন জায়গাতে কিভাবে এটি লাগানো থাকবে এই সব নিয়ে৷ সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নেরর পক্ষ থেকে এই গবেষণায় দুই মিলিয়ন ইউরো সহায়তা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে৷

ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকির ফিনিশ মেটেরেওলজিক্যাল ইন্সটিটিউটে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এই গবেষণার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন৷ সেখানেই ইইউ তাদের বাজেট আরও বাড়ানোর কথা জানায়৷ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ইলেকট্রিক্যাল সোলার উইন্ড সেইল বা ইসেইল নামে তাদের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নভোযানের গতি আরও অনেক বাড়বে৷ তাঁরা জানিয়েছেন, প্রতি সেকেন্ডে নভোযানের গতি হবে পঞ্চাশ কিলোমিটার৷

প্রতিবেদন: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: আবদুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়