1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

সেরিনা উইলিয়ামস’এর দ্বেষ, ভালোবাসা

ডিপিএ’র সাক্ষাৎকারে মন খুলে কথা বলেছেন মহিলা টেনিসে বিশ্বের পয়লা নম্বর বাছাই সেরিনা উইলিয়ামস৷ তিনি ফ্রান্সকে ভালোবাসেন, কিন্তু আগ্নেয়াস্ত্র সহ্য করতে পারেন না৷ ওদিকে তিনি মার্কিন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা’র ভক্ত৷

কিংবদন্তি নয়, সত্য কাহিনি৷ ভেনাস আর সেরিনা উইলিয়ামস'এর বাবা রিচার্ড উইলিয়ামস তাদের জন্মের আগেই ঠিক করেছিলেন যে তারা টেনিস খেলবে, বিশ্বের পয়লা নম্বর খেলোয়াড় হবে, টেনিস খেলে কোটিপতি হবে, ইত্যাদি৷ ব্যাপারটা ঘটেছেও তাই৷

অন্যদিকে তার ফল হয়েছে, সেরিনা এতো কমবয়সে খেলা শুরু করেছেন এবং এতো তাড়াতাড়ি সাফল্য পেয়েছেন যে তাঁর একটি ক্যারিয়ারে সামলায়নি৷ আজ ৩১ বছর বয়সে তিনি আবার বিশ্বের পয়লা নম্বর বাছাই, যা তাঁর আগে এতো বেশি বয়সে কেউ হতে পারেনি৷

Serena Williams of the US slides to a stop after hitting a return during her quarterfinal match against compatriot Sloane Stephens at the Australian Open tennis championship in Melbourne, Australia, Wednesday, Jan. 23, 2013. (Foto:Rob Griffith/AP/dapd)

ডিপিএ’র সাক্ষাৎকারে মন খুলে কথা বলেছেন মহিলা টেনিসে বিশ্বের পয়লা নম্বর বাছাই সেরিনা উইলিয়ামস

ওদিকে এ'বছর সেরিনা খেলছেন যেন তিনি আবার টিনেজার হয়ে গেছেন৷ জানুয়ারি যাবৎ পাঁচটি টুর্নামেন্ট জিতেছেন৷ ৩৮টি ম্যাচের মধ্যে শুধু দু'টিতে হেরেছেন৷ সামনে আবার রয়েছে ফ্রেঞ্চ ওপেন, গতবার যেখানে তাঁকে প্রথম রাউন্ডে ফ্রান্সের ভার্জিনি রাজ্জানো'র কাছে অপ্রত্যাশিতভাবে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল৷

শুধু টেনিসই খেলেন না সেরিনা

ডিপিএ'র সাক্ষাতে সে পরিচয়ও দিয়েছেন, খোলাখুলিভাবে কথা বলেছেন বিভিন্ন বিষয়ে৷ প্রথমেই বলেছেন, তিনি ফ্রান্সকে ভালোবাসেন৷ ইউরোপ মহাদেশে তিনি ফ্রান্সেই প্রথম পা রাখেন বলে তাঁর ধারণা৷ ইতিমধ্যে অল্পস্বল্প ফরাসিও বলতে পারেন৷ অবশ্য তাঁর ফ্রান্স প্রীতির আরেকটি বড় কারণ হল: তাঁর বর্তমান কোচ প্যাট্রিক মুরাটোগলু শুধু জাতিতে ফরাসিই নন, তিনি সেরিনার বয়ফ্রেন্ডও বটে৷

নয়তো সেরিনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার বিশেষ ভক্ত৷ দু'জনে বিভিন্ন চ্যারিটিতে একত্রে কাজ করেছেন৷ মিশেলের বক্তৃতা শুনে সেরিনা উদ্বুদ্ধ৷ যুক্তরাষ্ট্রে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করা উচিত কি নয়, এ'প্রশ্নের উত্তরে সেরিনা বলেন: তিনি শতকরা একশো ভাগ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণের সপক্ষে; একশো নয়, শতকরা দু'শো ভাগ৷ তার কারণটা ট্র্যাজিক: সেরিনার নিজের বোন ইয়েটান্ডে দশ বছর আগে লস এঞ্জেলেসের একটি শহরতলিতে বন্দুকের গুলিতে নিহত হন৷

কবে অবসর নেবেন সেরিনা? প্রশ্নটাই ছিল হয়তো অবান্তর৷ উত্তরে সেরিনা বলেন: ‘‘কে জানে? তুমি জানো না, আমি জানি না, কেউ জানে না৷''

এসি / এসবি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন