1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

‘সেবিট ২০১০'এ বাংলাদেশ

বাংলাদেশের কয়েকটি সংস্থা হানোফারে সেবিট মেলায় প্রায় প্রতি বছরই উপস্থিত থাকে৷ এবারেও তারা নেদারল্যান্ডস সরকারের এক প্রকল্পের আওতায় মেলায় এসেছে৷

default

কোন বাণিজ্য মেলায় কতটা ভিড় হয়, তা কি আদৌ মেলার সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ? অনেক মানুষই তো হুজুগের বশে এমন মেলায় যান৷ কিন্তু স্টল ভাড়া করে যারা ব্যবসা বাড়াতে এসেছেন, তাদের জন্য এমন উপহার-শিকারি দর্শক তেমন একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়৷ ফলে এবারের মেলায় ভিড় অনেক কমে গেলেও অনেক সংস্থাই তেমন চিন্তিত নয়৷ তাছাড়া বিশ্বব্যাপী আর্থিক ও অর্থনৈতিক সঙ্কটের কালো ছায়ার কথাও ভুললে চলবে না৷ স্পেনের বার্সেলোনা শহরে ‘মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস'এর মত মেলার বেড়ে চলা সাফল্যের কারণেও সেবিট'এর আকর্ষণ কিছুটা কমে গেছে৷ কিন্তু মেলা হিসেবে সেবিট কতটা গুরুত্বপূর্ণ? বহু বছর ধরে এই মেলায় আসছেন স্পেকট্রাম সংস্থার শীর্ষ প্রতিনিধি মুশফিকুর রহমান৷ তাঁর কণ্ঠেও এমন ইতিবাচক সুর শোনা গেল৷

নেদারল্যান্ডস সরকার উন্নয়নশীল দেশগুলিতে তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উন্নতি ঘটাতে ‘সিবিআই' নামের এক প্রকল্প চালাচ্ছে৷ এই প্রকল্পেরই আওতায় বাংলাদেশ সহ এশিয়ার কিছু দেশ এবারের সেবিট মেলায় একই মঞ্চে অংশ নিয়েছে৷ আন্তর্জাতিক আঙিনায় তথ্য প্রযুক্তি জগতে বাংলাদেশ এখনো নিজস্ব ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে পারে নি৷ তা সত্ত্বেও বাংলাদেশের বেশ কিছু সংস্থা ইতিমধ্যেই এক্ষেত্রে সক্রিয় হয়ে উঠেছে৷ মেলায় উপস্থিত ঢাকার ‘আপলোড ইয়োরসেল্ফ' সংস্থার প্রধান ফারহানা রহমান, ঢাকার বাণিজ্য ও শিল্প চেম্বারের প্রধান এবং ‘স্পিনোভেশন' সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা টিআইএম নরুল কবীর, লিডসফট সংস্থার প্রতিনিধি শামসুল আরেফিন সহ অনেকেই৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন, সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল ফারূক

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়