1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

সেপসিস চিকিৎসায় চুম্বকের ব্যবহার!

সেপসিস একটি রোগের নাম, যাকে রক্তদুষ্টি, রক্তদূষণ কিংবা পচনশীল ক্ষত, যে নামেই ডাকা হোক না কেন এটি বেশ জটিল একটি রোগ৷ এ থেকে মৃত্যুও হতে পারে৷ সম্প্রতি সেপসিসের সম্ভাব্য চিকিৎসায় কিছুটা সাফল্যের কথা জানান বিজ্ঞানীরা৷

প্রতি বছর বিশ্বের প্রায় এক কোটি ৮০ লক্ষ মানুষ সেপসিসে আক্রান্ত হয়৷ এর মধ্যে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ রোগী মারা যায়৷ জার্মানিতে প্রতিবছর ৬০ হাজার মানুষ এই রোগে মারা যায়৷ সেপসিসে আক্রান্ত রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর আরোগ্য লাভের সম্ভাবনা মাত্র ৫০ শতাংশ৷

এই রোগে ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক সহ অন্যান্য বিষাক্ত পদার্থ শরীরের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়ায় ঢুকে পড়ে এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আক্রমণ করার চেষ্টা করে৷ বিজ্ঞানীরা রক্ত থেকে এসব ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও বিষাক্ত পদার্থ বের করতে চুম্বকের ব্যবহার নিয়ে কাজ করছেন৷ ইঁদুরের উপর করা এই পরীক্ষায় তাঁরা সফলও হয়েছেন৷ গবেষণাটি সম্প্রতি ‘নেচার মেডিসিন' জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে৷

বিজ্ঞানীরা একটি ডিভাইস উদ্ভাবন করেছেন যেটা রক্ত থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করে আনতে চুম্বক বা ম্যাগনেট ব্যবহার করে৷ অনেকটা আমাদের শরীরের অঙ্গ প্লীহা-র মতো কাজ করা এই ডিভাইসটি মান্নান-বাইন্ডিং লেকটিন বা এমবিএল (এটি একটি জেনেটিক্যালি-ইঞ্জিনিয়ার্ড হিউম্যান ব্লাড প্রোটিন) মেশানো ম্যাগনেটিক ন্যানোবিডস ব্যবহার করে৷ গবেষকরা ডিভাইসটির নাম দিয়েছেন ‘বায়ো-স্প্লিন'৷

গবেষক দলের একজন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডোনাল্ড ইঙ্গবার বার্তা সংস্থা এএফপি-কে বলেছেন, এবোলা (উচ্চারণভেদে ইবোলা) ভাইরাসের সঙ্গে এমবিএল প্রোটিনের সম্পর্ক থাকায় এবোলা প্রতিরোধেও হয়ত এটা কাজে লাগানো যেতে পারে৷

এমবিএল-এর সঙ্গে মারবুর্গ ও এইআইভি ভাইরাসেরও সম্পর্ক থাকতে পারে৷ সেক্ষেত্রে ঐ সব ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট রোগের চিকিৎসায়ও বায়ো-স্প্লিন ব্যবহার করা যেতে পারে৷

তবে গবেষক ইঙ্গবার জানিয়েছেন তাঁদের গবেষণাটি এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র ইঁদুরের উপরই করা হয়েছে৷ ভবিষ্যতে এটা আরও বড় কোনো প্রাণী এবং তারপর মানুষের দেহে করা হবে৷ ফলে রোগের চিকিৎসায় বায়ো-স্পিলের ব্যবহার হওয়া পর্যন্ত কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন