1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

সেন্সরের থাবা উপেক্ষা করছেন ভিয়েতনামের মানুষ

এককালের যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ভিয়েতনাম আজ আবার মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে৷ পুরানো শত্রু অ্যামেরিকার সঙ্গেও তার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাড়ছে৷ তবে অর্থনীতির ক্ষেত্রে যথেষ্ট উদারতা দেখালেও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে কমিউনিস্ট নিয়ন্ত্রণ এখনো কাটেনি৷

চলচ্চিত্রের নাম ‘বুই দাই চো লন' – অর্থাৎ চায়নাটাউন৷ কারাটে-কুংফু লড়াই থেকে শুরু করে টানটান উত্তেজনার নানা উপকরণ তাতে রয়েছে৷ বড় বাজেটের এই ছবির পরিচালক চার্লি নুইয়েন৷ নায়ক তাঁরই ভাই জনি নুইয়েন৷ হো চি মিন সিটির অপরাধ জগতের গ্যাংস্টারদের লড়াই নিয়ে জমজমাট ছবি৷

মাসখানেক আগে ছবিটির মুক্তি পাবার কথা ছিল৷ কিন্তু ভিয়েতনামের সেন্সর কর্তৃপক্ষ সেটিকে ছাড়পত্র দেয় নি৷ কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, যে ছবিটিতে মাত্রাতিরিক্ত হিংসা ও শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ‘ভুল' চিত্র তুলে ধরা হয়েছে৷ ফলে যারা অনেক আশা করে ছবিটির মুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন, তারা আর কোনোদিন ‘চায়নাটাউন' দেখতে পাবেন না, এমনটাই ধরে নেওয়া হয়েছিল৷

Volle-Straßen-in-Ho-Chi-Minh-Stadt.jpg

ভিয়েতনামের মানুষ কর্তৃপক্ষকে উপেক্ষা করার সাহস পাচ্ছেন

কিন্তু মাসখানেকও কাটেনি৷ এর মধ্যে ছবিটির একটি সংস্করণ ইন্টারনেটে চলে এসেছে৷ সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মানুষও দিব্যি সেই ছবি দেখছে৷ আধুনিক প্রযুক্তির দৌলতে কর্তৃপক্ষকে অবজ্ঞা করাও সহজ কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ ফলে কাগজে-কলমে ভিয়েতনামের জাতীয় চলচ্চিত্র উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের কর্তৃত্ব থাকলেও বাস্তবে তাদের প্রভাব ক্ষীণ হয়ে আসছে৷ যৌনতা, হিংসা, সরকার ও কমিউনিস্ট পার্টির অবমাননার মতো কারণ দেখিয়ে তারা অনেক ছবির প্রদর্শন অনিশ্চিত করে তুলে এসেছে এতদিন৷

শুধু চলচ্চিত্র নয়, সংগীতের উপরও সরকারি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে৷ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের একটি বিভাগ খেয়াল-খুশি মতো খবরদারি চালায়৷ তবে শিল্পী ও অনুরাগীরা তাদের উপেক্ষা করে নিজেরাই বিকল্প পথ খুঁজে নিয়েছেন৷ সুর নয়, গানের কথা নিয়েই কর্তৃপক্ষের মূল আপত্তি৷ যেমন গীতিকার নুইয়ক দাই একটি গান লিখেছেন, যার মধ্যে যৌনতার ছড়িছড়ি৷ কর্তৃপক্ষের পরোয়া না করেই তিনি গানটি রেকর্ড করিয়েছেন৷ ফলে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন৷ তাঁর মতে, এমন অপসংস্কৃতির কারণে ভিয়েতনামের ভাবমূর্তির ক্ষতি হচ্ছে৷

কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করলে ভিয়েতনামে জেল, জরিমানা বা দুটোই হতে পারে৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও মানুষ বেপরোয়া হয়ে উঠছে৷ অন্যদিকে সরকারও স্বীকার করছে, যে ইন্টারনেটের যুগে নিয়ন্ত্রণ কার্যকর করা বড়ই কঠিন৷

এসবি/ডিজি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়