1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

সেনা ব্যারাকে জার্মান নারী সেনাদের নিগ্রহের অভিযোগ

জার্মানির দক্ষিণাঞ্চলের একটি সেনা ক্যাম্পে নতুন নিয়োগ পাওয়া নারী সেনাদের দিয়ে অপমানজনক কাজ করানো এবং হয়রানির অভিযোগ উঠেছে৷ প্রশিক্ষণার্থীদের নগ্ন হতে এবং পোলডান্সে বাধ্য করা হয় বলে জানিয়েছে গণমাধ্যম৷

জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ ধরনের কাজের নিন্দা জানিয়েছেন৷

জার্মানির ফ্যুলেনডর্ফের স্টাউফার ব্যারাকটি জার্মান সেনাবাহিনীর বিশেষ অপারেশনের ট্রেনিং সেন্টার হিসেবে পরিচিত৷ তবে সেখানে যে জঘন্য ঘটনা ঘটেছে বলে শোনা যাচ্ছে, তার সঙ্গে সেনা প্রশিক্ষণের কোনো সম্পর্ক নেই৷

জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নারী সেনা প্রশিক্ষণার্থীদের ‘এন্ট্রেন্স এক্জাম-’এর অংশ হিসেবে অত্যন্ত অসম্মানজনক এক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়৷ নিকোল ই. নামের এক নারী দাবি করেছেন, তাঁর প্রশিক্ষকরা তাঁকে ব্যারাকের কমনরুমে পোলডান্সে বাধ্য করেছিলেন৷ শুধু তাই নয়, সেখানে নারী সেনাদের এমন সব কাজ করতে বলা হয় যা স্ট্রিপ ক্লাবে দেখা যায়, সেনানিবাসে নয়৷

নিকোল ই. আরো জানিয়েছেন যে, প্রশিক্ষকরা প্রশিক্ষণার্থীদের নগ্ন হয়ে নারীদের দেহতল্লাশি করতে বাধ্য করে৷ এ সময় নারীদের স্তন এবং যৌনাঙ্গ স্পর্শ করা হয় বলেও দাবি করেছেন তিনি৷ প্রশিক্ষকরা এসবের ছবিও তুলে রাখেন ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণের কাজে লাগতে পারে বলে৷

জার্মান সংসদের প্রতিরক্ষা কমিটি বুধবার প্রতিবেদনটি নিয়ে আলোচনা করেছে৷ গত জানুয়ারিতে আরেক প্রতিবেদনেও প্রশিক্ষণার্থীদের নগ্ন করে ভিডিও করার বিষয়টি উঠে এসেছিল৷ জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী উরসুলা ফন ডেয়ার লায়েন স্টাউফার সেনাক্যাম্পে প্রশিক্ষক এবং সাধারণ সেনাদের এসব কাজের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন৷ তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে সব ধরনের উদ্যোগ নেয়ার অঙ্গীকারও করেছেন৷

জার্মান রাজনীতিবিদরাও এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন৷ তারা মনে করেন, সেনাবাহিনীতে ব়্যাগিং সংস্কৃতি পুরোপুরি বন্ধ করা না গেলেও যারা অন্যের ব্যক্তিগত অধিকার এবং গোপনীয়তা লঙ্ঘন করেন, তাদের দ্রুত চাকুরিচ্যুত করতে হবে৷

উল্লেখ্য, সেনা ক্যাম্পটিতে নারীদের পোলডান্সে বাধ্য করা ছাড়াও চেয়ারের সঙ্গে বেঁধে একইভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা এবং তাদের শরীরে বরফশীতল পানি ছিটিয়ে দেয়ার মতো ব়্যাগিং নিয়মিতই ঘটে৷ এমন চর্চা দীর্ঘদিন ধরে চালু আছে৷

প্রতিবেদন: কার্লা ব্লাইকার/এআই

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়