1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

‘সেক্স সিম্বল' মনরোর এক্স-রে নিলামে

‘সেক্স সিম্বল' এখন বহুল প্রচলিত একটি শব্দ৷ যাদের জন্য এটির ব্যবহার শুরু তাদের মধ্যে অবশ্যই উল্লেখযোগ্য মেরিলিন মনরো৷ অনেকদিন মনে করা হতো তাঁর সৌন্দর্য ছিল প্রাকৃতিক৷ কিন্তু তা নয়!

২০১০ সালে বেভারলি হিলসের প্লাস্টিক সার্জন নরমান লিফ তাঁর একটি বইতে জানান, মনরো ১৯৫০ সালে চিবুকের প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছিলেন৷ এরপর নাকেরও সার্জারি করান তিনি৷ এসব খবরের সূত্র ছিলেন মনরোর চিকিৎসক ডা. মাইকেল গার্ডিন৷

এবার সেই ডা. গার্ডিনের লেখা মনরোর সার্জারি বিষয়ক ‘নোটস' ও কয়েকটি এক্স-রে-র নিলামের খবর দিয়েছে মার্কিন নিলাম কোম্পানি ‘জুলিয়েন অকশনস'৷ আগামী মাসের ১০ তারিখে বেভারলি হিলসে অবস্থিত জুলিয়েন অকশনস-এর কার্যালয়ে নিলাম অনুষ্ঠিত হবে৷ এ থেকে কোম্পানিটি ১৫ থেকে ৩০ হাজার ডলার আশা করছে৷

এক বিবৃতিতে নিলাম কোম্পানি বলেছে, ‘‘মনরোর প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে দর্শক ও মিডিয়ার মধ্যে অনেক গুজব রয়েছে৷ মনরোর কী ধরনের সার্জারি হয়েছে তা অনেকদিন ধরেই একটা বিস্ময় হয়ে রয়েছে৷

This photograph released by the Brooklyn Museum of Art, titled Marilyn Monroe: Pulling Beads, is part of show opening at the museum Friday, Nov. 12, 2004. The 1962 pink tinted photograph by Bert Stern is one of more than 200 Monroe pictures from 39 photographers - including luminaries such as Richard Avedon, Gordon Parks, Robert Frank and Andy Warhol - in the museum's new exhibit, I Want to Be Loved by You: Photographs of Marilyn Monroe. (ddp images/AP Photo/Brooklyn Museum of Art, Bert Stern)

‘‘যেহেতু তাঁর (মনরোর) চেহারা খবুই ন্যাচারাল ছিল, তাই যখন খবর এলো তিনি ১৯৫০ সালে সার্জারি করিয়েছিলেন তখন সেটা বিশ্বাস করা কঠিন ছিল৷''

‘‘যেহেতু তাঁর (মনরোর) চেহারা খবুই ন্যাচারাল ছিল, তাই যখন খবর এলো তিনি ১৯৫০ সালে সার্জারি করিয়েছিলেন তখন সেটা বিশ্বাস করা কঠিন ছিল৷''

তবে জুলিয়েন অকশনস বলছে, ‘‘এত আগে, যখন প্লাস্টিক সার্জারি এত জনপ্রিয় ছিল না, তখন মনরো যে সেটা করিয়েছিলেন, নিলামে ওঠা চিকিৎসকের নোটস আর এক্স-রে-গুলো তারই প্রমাণ৷''

মাত্র ৩৬ বছরের জীবনে মেরিলিন মনরো ‘সাম লাইক ইট হট' (১৯৫৯), ‘হাউ টু ম্যারি এ মিলিওনেয়ার' (১৯৫৩), ‘জেন্টেলমেন প্রেফার ব্লন্ডস' (১৯৫৩) সহ বেশ কয়েকটি ব্লকবাস্টার মুভি উপহার দিয়েছেন৷

মনরোকে ১৯৬২ সালে তাঁর অ্যাপার্টমেন্টে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়৷

জেডএইচ/এসবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়