1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সুষ্ঠু নির্বাচনে ভূমিকা রাখতে চান নতুন মন্ত্রীরা

নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে সোমবার ৮ জন শপথ নিয়েছেন৷ তাঁরা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও ওয়ার্কার্স পার্টির সদস্য৷ মন্ত্রিসভায় পুরনো মন্ত্রিসভার সদস্যরাও আছেন৷ তাঁদের নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি৷

বিকেলে বঙ্গভবনে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টির রওশন এরশাদ, রহুল আমিন হাওলাদার ও আনিসুল ইসলাম মাহমুদ৷ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন জাতীয় পার্টির সালমা ইসলাম ও মুজিবুল হক চুন্নু৷ এছাড়া জাতীয় পার্টির জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে মন্ত্রীর পদ মর্যাদায় উপদেষ্টা নিয়োগ করা হয়েছে৷

শপথ নেয়ার পর বঙ্গভবনে মন্ত্রীরা বর্তমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে তাঁদের ভূমিকা রাখার কথা বলেছেন৷ তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতেই মন্ত্রীত্ব নিয়েছেন তিনি৷ তাঁর কথায়, বিএনপি চাইলে এখনও সর্বদলীয় সরকারে যোগ দিতে পারে৷ এখনও প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ বহাল আছে৷

রাশেদ খান মেনন বলেন, এবার তাঁদের মন্ত্রীত্ব মন্ত্রণালয় চালানোর জন্য নয়৷ এবার তাঁরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সহায়তা করার দায়িত্ব পেয়েছেন৷ তিনি বলেন, এই সর্বদলীয় মন্ত্রিসভা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সফল হবে৷

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, এখন দেশ একটি কঠিন সময় পার করছে৷ এই সংকটকে মোকাবেলা করাই তাঁদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন তিনি৷ তিনি জানান, জানুয়ারির প্রথম দিকেই নির্বাচন হবে৷ আর তাঁদের কাজ হবে নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করা৷ আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, সর্বদলীয় সরকারে বিএনপিকে যোগ দিতে নতুন করে আমন্ত্রণ জানানোর দরকার নেই৷ তাদের আগেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে৷



নতুন মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ ছাড়াও মন্ত্রিসভার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন৷ শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ৷

সর্বদলীয় মন্ত্রিসভায় পুরনো মন্ত্রিসভা থেকে আরো অন্তত ১২ থেকে ১৪ জন মন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত হবেন৷ তবে তাঁদের নতুন করে শপথ নিতে হবে না৷

এদিকে বিএনপি সর্বদলীয় মন্ত্রিসভায় অংশ নেয়ায় বিরত থেকে, মন্ত্রিসভাকে তামাশা হিসেবে অভিহিত করে একে মহাজোট সরকারের বর্ধিত মন্ত্রিসভা বলেছে৷ শুধু তাই নয়, এর প্রতিবাদে সারা দেশে কালো পতাকা নিয়ে মিছিলও করেছে তারা৷ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হান্নান শাহ ডয়চে ভেলেকে বলেছেন, বিএনপিকো সর্বদলীয় মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি৷ সরকার চায় একটি একদলীয় নির্বাচন৷ আর তারা সে দিকেই যাচ্ছে৷ কিন্তু এই নির্বাচন প্রতিহত করা হবে৷

তবে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দাবি করেছেন, বিরোধী দল বিএনপির সঙ্গে নেপথ্যে এখনও যোগাযোগ করা হচ্ছে৷ তারা চাইলে সর্বদলীয় সরকারে যোগ দিতে পারে৷

অন্যদিকে মন্ত্রীরা শপথ নেয়ার পর বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সাক্ষাত্‍ চেয়েছেন৷ একথা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শমসের মবিন চৌধুরী৷ জানা গেছে, চলমান রাজনৈতিক সংকট নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কথা বলতে চান খালেদা জিয়া৷ বিএনপির নির্দলীয় সরকারের দাবি উপেক্ষা করে সর্বদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করার উদ্দেশ্য নিয়ে সরকার এগিয়ে যাওয়ায়, সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ চাইতে পারেন বিএনপি চেয়ারপার্সন৷ শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খালেদা জিয়াকে বঙ্গভবনে সাক্ষাতের সময় দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়