1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সুবিচারের অপেক্ষায় তুর্কী তরুণী হাতুন সুরুচু

১১ বছর আগে জার্মানিতে নিজের ছোট ভাইয়ের গুলিতেই নিহত হয়েছিলেন হাতুন সুরুচু৷ তুর্কি বংশোদ্ভূত তরুণীর ভাই জানিয়েছিলেন, পরিবারের সম্মান বাঁচাতে বোনকে হত্যা করেছেন৷ স্বঘোষিত খুনির দ্বিতীয় দফা বিচার শুরু হয়েছে তুরস্কে৷

২০০৫ সালে বড় দুই ভাই মুতুলু আর আলবাসালানের সহায়তা নিয়েই নিজের বড় বোন হাতুন সুরুচুকে গুলি করে হত্যা করে আয়হান৷ আয়হানের বয়স তখন ১৮ বছর৷ ওই বয়সেই বার্লিনের টেম্পেলহোফের কাছে বোনকে হত্যা করে সে৷ ২০০৬ সালে বার্লিনের আদালতেই দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ৯ বছরের কারাদণ্ড হয় তাঁর৷ বয়স বেশি হলে শাস্তি আরো কঠোর হতো৷

Urteil im Prozess um Ehrenmord an Schwester Alpaslan Sürücü (r)

এই সেই হত্যাকারী...

২০১৪ সালে কারামুক্তির পর আয়হানকে তুরস্কে পাঠিয়ে দেয় জার্মান পুলিশ৷ তার আগে হাতুন হত্যার সঙ্গে পরোক্ষভাবে জড়িত বড় দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে খুব জোরালো প্রমাণ না পাওয়ায় বার্লিনের আদালত প্রথমে তাঁকে বেকসুর খালাস দেয়৷ কিন্তু কেন্দ্রীয় আদালত ২০০৭ সালে নতুন আইন প্রণয়ন করে তাদের বিচারের প্রস্তুতি শুরু করলে মুতুলু আর আলবাসালানও তুরস্কে চলে যায়৷

নিহত হওয়ার সময় ২৩ বছর বয়সি এক প্রাণোচ্ছল তরুণী ছিলেন হাতুন৷ কিন্তু পরিবারের পছন্দের লোককে বিয়ে না করে ঘর ছেড়ে গিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে ঘর-সংসার শুরু করে এক সময় সন্তানেরও মা হয়ে যাওয়ায় তাঁর পরিবারই হাতুনকে হত্যার জন্য হন্যে হয়ে ওঠে৷ তিন ভাই মিলে তাই হত্যাও করে তাঁকে৷

গত সপ্তাহে তুরস্কের ইস্তানবুল শহরে শুরু হয়েছে হাতুন হত্যার বিচার৷ মুতুলু আর আলবাসালানের বয়স এখন যথাক্রমে ৩৫ ও ৩৬ বছর৷ তুরস্কের আইন অনুযায়ী হত্যার অপরাধে ২০ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৫০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে৷

এসিবি/ডিজি (এএফপি, এপি)

পারিবারিক সম্মান বাঁচানোর নামে হত্যাকে কি আপনি সমর্থন করেন? জানান মন্তব্যের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়