1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

‘সুন্দরী কমলা’র সঙ্গে নাচলেন বিদেশিরা

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে জার্মানির বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে৷ এমনই একটি অনুষ্ঠান হয়ে গেল গ্যোটিঙেন শহরে, শুক্রবার সন্ধ্যায়৷

default

‘সুন্দরী কমলা’ গানের সঙ্গে নেচেছেন তাঁরা

গ্যোটিঙেন শহরে বসবাসরত বাঙালিদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষও অংশ নিয়েছিলেন৷ আয়োজকদের অন্যতম গবেষক ড. মো: আজিজুর রহমান বলেন, দু পর্বের অনুষ্ঠানের প্রথম ভাগে ছিল আলোচনা পর্ব৷ সেখানে বাংলাদেশ, জার্মানি, ভারত ও ঘানা থেকে চারজন বিশেষজ্ঞ বক্তব্য রাখেন৷ বাংলাদেশের বক্তা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ইতিহাস ও তাৎপর্য তুলে ধরেন৷ জার্মান বিশেষজ্ঞের বক্তব্যে ইউরোপের ভাষা ও সংস্কৃতির কথা উঠে আসে৷

এরপর শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান৷ সেখানে বাঙালি সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়৷ সঙ্গে ছিল অন্যান্য দেশের নাচ-গানও৷

অডিও শুনুন 04:21

সাক্ষাৎকারটি শুনতে এখানে ক্লিক করুন

আজিজুর রহমান বলেন, ‘‘আসলে আমরা আয়োজনটাকে একটা আন্তর্জাতিক রূপ দিতে চেয়েছি৷ তাই গ্যোটিঙেন বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিয়ে আমরা গত বছর থেকে অনুষ্ঠান আয়োজন শুরু করি৷''

গতবারের মতো এবারও বেশ কয়েকজন বিদেশি অনুষ্ঠানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন৷ যেমন ‘সুন্দরী কমলা নাচে' গানটি গেয়েছেন একজন বাংলাদেশি শিল্পী৷ আর গানের সঙ্গে নেচেছেন জার্মানি, ভারত, গ্রিস ও ইন্দোনেশিয়ার মেয়েরা৷ এছাড়া কিবোর্ড বাজিয়েছেন একজন ইটালীয় ছেলে৷ ‘‘এই গানের সঙ্গে নাচার জন্য তাঁরা অনেকদিন ধরে অনুশীলন করেছেন,'' বলেন আজিজুর রহমান৷ ইরান, আফগানিস্তান, কলম্বিয়ার মতো দেশেরও সংস্কৃতি উপস্থাপিত হয় অনুষ্ঠানে৷

গ্যোটিঙেনে আয়োজিত হলেও আশেপাশের শহরগুলো থেকে অনেক বাংলাদেশি অনুষ্ঠানটি উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি৷

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের পাশাপাশি জার্মানিতে বাঙালিদের মাঝে বাংলা চর্চার বিষয়টি কী অবস্থায় আছে জানতে চাইলে আজিজুর রহমান বলেন, জার্মানির কয়েকটি বড় শহরে বাংলা স্কুল রয়েছে৷ সেখানে বাঙালি বাবা-মায়ের সন্তানদের বাংলা ভাষা শিক্ষা দেয়া হয়৷ আর যে সব শহরে এমন ব্যবস্থা নেই সেখানকার বাবা-মা ঘরেই বাচ্চাদের বাংলা শেখার প্রতি জোর দেন, বলে জানান তিনি৷

সাক্ষাৎকার: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়