1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

সুন্দরীদের ফটো চুরি করছে ডেটিং সাইট!

আঁতকে ওঠার মতোই খবর৷ সুকৌশলে চুরি হচ্ছে ফেসবুক সুন্দর-সুন্দরীদের ছবিসহ নানা তথ্য৷ তাই দিয়ে তৈরি হচ্ছে ডেটিং সাইট৷ যেখানে একে অপরের সঙ্গে অবাধ মেলামেশার সুযোগ পাবেন৷ এই চুরি নিয়ে তোলপাড় ইন্টারনেট জগতে৷

default

ডেটিং এর প্রস্তুতি (প্রতীকী ছবি)

সাইটের নাম লাভলি-ফেসেস ডটকম৷ গত সপ্তাহে চালু হওয়া এই সাইট কমপক্ষে আড়াই লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর ছবি, নাম, ঠিকানা, পছন্দ, অপছন্দ ধারণ করছে৷ এসবই ফেসবুকের পাবলিক প্রোফাইল৷ যারা ফেসবুকে তাদের প্রোফাইল সবার জন্য উম্মুক্ত রেখেছিলেন, তাদেরগুলোই চুরি করেছে লাভলি-ফেসেস ডটকম৷

সাইটটির প্রথম পাতায় অবশ্য বীরদর্পেই লেখা আছে, ফেসবুকের মতোই সহজ এটির ব্যবহার৷ শুধু তাই নয়, ঝাঁকে ঝাঁকে নরনারীর ছবি বসিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রথম পাতাতেই৷ ভাবখানা এমন, দেখো, পছন্দ করো আর অবাধে সম্পর্ক গড়৷

শুধু তাই নয়, সঙ্গী খুঁজতে এটিতে নানা অপশন যোগ করা হয়েছে৷ যেমন, চাইলে নিজের এলাকার সদাহাস্য, সাধাসিধে কিংবা ডিজুস টাইপের সঙ্গী খোঁজার সুযোগ রয়েছে৷ একইসঙ্গে প্রকৃত নাম দিয়েও খুঁজে পেতে পারেন সঙ্গী৷

এই সাইটের প্রতিষ্ঠাতা দু'জন, পাওলো সিরিও এবং অ্যালেসান্ড্রো লুডোভিক৷ তাদের দাবি, ফেসবুকের আবদ্ধ সামাজিক কাঠামো থেকে মানুষকে মুক্ত পরিসরে আনাই তাদের লক্ষ্য৷ তবে কেউ যদি আপত্তি করে, তাহলে তার প্রোফাইল এবং তথ্য মুছে ফেলতে রাজি উদ্যোক্তারা৷ মোটের ওপর, কোন বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নাকি এই সাইটটি করা হয়নি৷

সে যাই হোক, চুরিতো চুরিই৷ ফেসবুকের নীতি যোগাযোগ বিষয়ক পরিচালক বেরি স্নিট এর মন্তব্য, এভাবে মানুষের তথ্য চুরি করে ফেসবুকের ব্যবহারবিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে৷ তাই, লাভলি-ফেসেস ডটকম এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে ফেসবুক৷ ইতিমধ্যে তদন্তও নাকি শুরু হয়ে গেছে, জানালেন স্নিট৷

এদিকে, কিরিও এবং লুডোভিক কিন্তু জানাচ্ছেন ভিন্ন কথা৷ তাদের দাবি, চুরির এই বিদ্যা তারা শিখেছেন মার্ক সাকারবার্গ, মানে ফেসবুকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতার কাছ থেকেই৷ মার্ক ২০০৩ সালে একইভাবে হাভার্ড নেটওয়ার্ক থেকে তথ্য চুরি করে সাইট গড়েছিলেন৷ তাই, এই চুরি অপরাধ হলে আগে মার্কের বিচার জরুরি৷

আসলে মোদ্দা কথা হচ্ছে, প্রযুক্তির ব্যাপারটাই এমন, যখন যার হাতে তাঁর কথাই বলে৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

নির্বাচিত প্রতিবেদন