1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

সুইস ঐতিহ্যবাহী খাবার ফদুঁ

আনারস খাওয়ার পর দুধ খেতে নেই, এই ধরণের কত কথাই না আমাদের দেশে প্রচলিত৷ বিজ্ঞান এই ব্যাপারে যাই বলুক, আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা এসব বিশ্বাস করেন৷ ইউরোপেও খাবার নিয়ে এমনটি যে ঘটে না তা কিন্তু নয়৷

Fontina, Fondue, Steamed, Vegetables, creamy, cheese, dish broccoli, cauliflower সুইস, ঐতিহ্যবাহী , খাবার, ফদুঁ

সুইস ঐতিহ্যবাহী খাবার ফদুঁ

সুইজারল্যান্ডের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার হচ্ছে ফদুঁ, যা আমাদের দেশে একেবারেই অপরিচিত৷ সহজভাবে বলতে গেলে প্রচুর পরিমাণে পনির, সঙ্গে থাকছে রসুন, রুটি এবং ওয়াইন৷ একটা ছোট্ট বার্নার'এর ওপর পাত্র৷ তাতে গরম হতে থাকবে তেল বা গলিত পনির কিংবা তরল চকলেট৷ কখনো মাংস কখনো চিজ বা পনির অথবা ফলের ছোট ছোট টুকরা লম্বা ফর্ক বা কাঁটার আগায় লাগিয়ে এই পনিরের স্যুপে ডুবিয়ে খাওয়া হয়৷ এই হচ্ছে ফঁদু৷ যে কোন উৎসব পার্বণে কিংবা বড়দিনের ছুটিতে বাসার সবাই একসঙ্গে বসে এই ফঁদু খাওয়া চলে৷ অনেক সময় ধরে চলে এই খাওয়া দাওয়া আর আড্ডা৷ সঙ্গে থাকে ওয়াইন কিংবা গরম চা এবং রুটি৷ থাকে স্যালাডও৷

এহেন ফঁদু নিয়েই নানা ধরণের কুসংস্কার প্রচলিত৷ যেমন ফঁদু খাওয়ার পর কেউ যদি ঠান্ডা পানি কিংবা সোডা ওয়াটার খায় তাহলে খুব ক্ষতি হতে পারে৷ এমনকি ঠান্ডা পানি খেয়ে কেউ কেউ মারা গেছে, তেমন কথাও শোনা যায়৷ কিন্তু কোনটিরই আসলে সত্যতা পাওয়া যায়নি৷ বাংলাদেশে আনারসের সঙ্গে দুধ খাওয়ার মত আর কি৷

যাই হোক, সুইজারল্যান্ডের মানুষের মধ্যে আবার একটি বড় বিতর্ক রয়েছে এই ফঁদু খাওয়া নিয়ে৷ ওয়াইন নাকি গরম চা, কোনটি এসময় পান করা উচিত সেটা নিয়ে মাঝে মধ্যে বিতর্কের ঝড় ওঠে৷ শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা এই বিতর্কের সমাধান খুঁজেছেন৷ সুইস, জার্মান এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানীদের এক গবেষণার ফল সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে৷ তাতে বলা হয়েছে, ফঁদু'র মত ভারী খাবার খাওয়ার পর চা পান করলে পাকস্থলীর হজম প্রক্রিয়া শেষ হতে লাগে ছয় ঘণ্টা৷ আর মদ বা ওয়াইন পান করলে লাগে নয় ঘণ্টা৷ অর্থাৎ চায়ের চেয়ে ওয়াইন হজম প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়৷ তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, সুস্থ ব্যক্তির জন্য আসলে এটি তেমন কোন বিষয় নয়৷ চা, মদ্য আর ঠান্ডা কোকাকোলা সবই তাদের জন্য সমান৷

প্রতিবেদন: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

ইন্টারনেট লিংক