সিরিয়ায় সরকার-বিরোধী বিক্ষোভে প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু | বিশ্ব | DW | 23.04.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সিরিয়ায় সরকার-বিরোধী বিক্ষোভে প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু

আরব জগতে শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর জোরালো বিক্ষোভের ঘটনা নতুন কিছু নয়৷ কিন্তু গতকাল সিরিয়ার বিভিন্ন শহরে নিরাপত্তা বাহিনী যে হত্যালীলা চালিয়েছে, তা নজিরবিহীন৷

default

বানিয়াস শহরে মানুষের বিক্ষোভ

সর্বশেষ পরিস্থিতি

সিরিয়া থেকে নিরপেক্ষ সংবাদ পাওয়া অত্যন্ত কঠিন৷ মানবাধিকার সংগঠনগুলির সূত্র অনুযায়ী শুধু শুক্রবারই লাতাকিয়া, হোমস, হামা, দারা, দামাস্কাস সহ বিভিন্ন শহরে পুলিশের গুলিতে প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ শুধু তাই নয়, বিরোধীদের স্থানীয় সমন্বয় কমিটি সংবাদ সংস্থা রয়টার্স'এর কাছে নিহত ৮৮ জনের নামের তালিকাও পাঠিয়েছে৷ গত ১৮ই মার্চ দক্ষিণের দারা শহরে যে বিক্ষোভের ঢেউ শুরু হয়েছিল, তার জের ধরে মৃতের সংখ্যা প্রায় ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে৷ আল জাজিরার রিপোর্টে বিচ্ছিন্ন দৃশ্য দেখানো হচ্ছে, যাতে ভয়াবহ হিংসালীলার কিছু খণ্ডচিত্র পাওয়া যাচ্ছে৷ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী সংবাদ সংস্থাগুলির কাছে বিস্তারিত বিবরণও দিয়েছেন৷

Flash-Galerie Syrien Banias Proteste

জুম্মার নামাজের পর বিক্ষোভকারীদের মিছিল

বিক্ষোভের কারণ

আসাদের প্রশাসনের উপর বিক্ষোভকারীদের কোনো আস্থা নেই৷ তারা সরাসরি সরকার উৎখাত করার ডাক দিচ্ছে৷ জরুরি অবস্থা তোলার দাবি পূরণ হলেও রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থার ব্যাপক ক্ষমতা কমানোর দাবি সম্পর্ক এখনো নীরব প্রেসিডেন্ট আসাদ৷ তাছাড়া ক্ষমতাকেন্দ্রে একমাত্র বাথ পার্টির একচ্ছত্র আধিপত্যেরও অবসান চায় তারা৷ স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক কাঠামোর দাবি জানাচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা৷

সরকারের বক্তব্য

সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ সশস্ত্র গোষ্ঠী, বিদেশি অনুপ্রবেশকারী ও সুন্নি উগ্রবাদী সংগঠনগুলিকে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ী করছে৷ তাদের দাবি, এই সব দুষ্কৃতি বিক্ষোভকারী ও পুলিশের দিকে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি চালিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে৷ তাদের এই প্ররোচনার ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে৷

Syrien Präsident Bashar Assad hält eine Rede vor seinem Kabinett in Damaskus

জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়া সত্ত্বেও আসাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এই হিংসার তীব্র নিন্দা করেছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘নিজের দেশের মানুষের কণ্ঠ না শুনে প্রেসিডেন্ট আসাদ বিদেশি শক্তিগুলিকে দায়ী করছেন৷ অথচ মানুষের উপর নিপীড়ন চালাতে তিনি নিজে ইরানের সহায়তা নিচ্ছেন৷'' ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ বলেছেন, শুধু কাগজে কলমে নয় বাস্তবেও জরুরি অবস্থা তুলে নিতে হবে৷ আরব জগতের অন্যান্য দেশগুলির তুলনায় সিরিয়ার বিশেষ কৌশলগত অবস্থান ওয়াশিংটন ও লন্ডনের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

নির্বাচিত প্রতিবেদন