1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সিরিয়া

সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলার পর দোষারোপের পালা

সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে আবার রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগের ঘটনা সে দেশে শান্তির প্রচেষ্টার উপর আঘাত হানলো৷ এ পরিস্থিতিতেই ব্রাসেলসে এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সিরিয়ার নিপীড়িত মানুষের জন্য সহায়তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে৷

উত্তর পশ্চিমে ইডলিব প্রদেশে মঙ্গলবার ভোরে বিমান থেকে রাসায়নিক অস্ত্র হামলায় শিশুসহ কমপক্ষে ৫০ জন মানুষ নিহত ও প্রায় ৩০০ জন আহত হয়েছে৷ কিছু সূত্র অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা একশ'রও বেশি৷ মার্কিন প্রশাসনের ধারণা, এই হামলায় ‘সারিন' নামের মারাত্মক পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রায় নিশ্চিতভাবে বলা চলে যে, প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের অনুগত বাহিনী এই কাণ্ড ঘটিয়েছে৷

সিরিয়ার সেনাবাহিনী অবশ্য এই হামলার দায় অস্বীকার করে জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা কোনো অবস্থায় রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করবে না৷ উল্লেখ্য, এর আগেও সরকারি বাহিনী এই ধরনের হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে৷ রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো রুশ বিমান এই হামলায় জড়িত ছিল না৷ মস্কো আরও দাবি করেছে যে, সিরিয়ার বিমানবাহিনী এক ‘সন্ত্রাসবাদী গুদাম'-এর উপর হামলা চালালে সেখানে মজুত বিষাক্ত টক্সিক পদার্থ বেরিয়ে আসে৷

এই হামলার নিন্দা করে মার্কিন প্রশাসন ব্রিটেন ও ফ্রান্সের সঙ্গে একযোগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এক প্রস্তাব অনুমোদনের উদ্যোগ নিচ্ছে৷ তাতে নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তদন্তের ডাক দেওয়া হয়েছে৷ বুধবারই ভোটাভুটি হওয়ার কথা৷ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন রাশিয়া ও ইরানের উদ্দেশ্যে আসাদ সরকারের উপর তাদের প্রভাব খাটিয়ে ভবিষ্যতে এমন হামলার সম্ভাবনা বন্ধ করার ডাক দিয়েছেন৷

মঙ্গলবারের হামলাকে কেন্দ্র করে মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও গরম হয়ে উঠেছে৷ ট্রাম্প তাঁর পূর্বসূরি বারাক ওবামার ‘দুর্বল' সিরিয়া নীতিকে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন৷ অন্যদিকে সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন প্রেসিডেন্ট আসাদকে ‘বাস্তব পরিস্থিতি' হিসেবে কার্যত মেনে নেওয়ায় এই হামলা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন সিরিয়ার বিরোধী নেতা বাসমা কোডমানি৷

বুধবার ব্রাসেলস শহরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্যোগে সিরিয়ার পুনর্গঠনের বিষয়ে এক সম্মেলনে এই হামলার বিষয়টি প্রাধান্য পাবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ আপাতত সিরিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য মানবিক সাহায্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছে৷ কোনো রাজনৈতিক সমাধানসূত্র পাওয়া গেলে কীভাবে সে দেশে পুনর্গঠনের কাজ চালানো হবে, তার পরিকল্পনার খসড়া তৈরি করার উদ্যোগ চলছে৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়