1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সিরিয়া

সিরিয়ায় ভয়াবহ হামলা, ভেস্তে যাচ্ছে শান্তি আলোচনা

সিরিয়ায় যুদ্ধবিরতির ফলে ঐ অঞ্চলে শান্তির একটা আভাস দেখা দিয়েছিল, জাতিসংঘ নেতৃত্বে জেনিভায় শান্তি আলোচনা একটা ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছিল৷ কিন্তু হোমসে আবারও হামলায় ভেস্তে গেল সবকিছু৷

বিদ্রোহীদের অভিযোগ, সিরিয়া সরকারের যুদ্ধ বিমান হোমসের কেন্দ্রে বিদ্রোহীদের ঘাঁটিতে বোমা ফেলে তাদের তিন সদস্যকে হত্যা করেছে৷ এ ঘটনায় আহত হয়েছে অনেকে৷ শনিবারের সেনা সদস্যদের ওপর হামলার জের ধরেই পাল্টা এই হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ যদিও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে আল-কায়েদা সমর্থিত জঙ্গিগোষ্ঠী এ হামলা চালিয়েছে৷ শনিবারের ঐ আত্মঘাতী হামলায় এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তাসহ ৪২ জন নিহত হয়েছে৷

ছ'টি আত্মঘাতী হামলায় এবং গোলাগুলিতে সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাসহ ৪২ জন নিহত হয় বলে জানিয়েছে, ব্রিটেনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অবজারভেটরি হিউম্যান রাইটস৷

হামলার পর থেকেই গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের তীব্র শব্দে শহরটি প্রকম্পিত হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে তারা৷ তবে হামলাকারী জঙ্গিরা ইসলামিক স্টেটের (আইএস) না অন্য কোনো জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্য তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার হওয়া যায়নি৷ হোমস শহরের অবরুদ্ধ একটি অংশ বাদে পুরো শহরটি সিরীয় সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে৷

এদিকে, এ অবস্থায় জেনিভায় সিরিয়ার শান্তি আলোচনা ভেস্তে যেতে বসেছে৷ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন সোমবার বলেন, ‘‘জানুয়ারিতে কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় প্রথম দফার যে আলোচনা হয়েছিল, আসাদের মিত্র দেশ রাশিয়া ও ইরান এবং আসাদের বিপক্ষ দেশ তুরস্কের মধ্যে সিরিয়ায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে যে আলোচনা হয়েছিল তা একটি ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছিল৷ কিন্তু এই অস্ত্র বিরতির মধ্যেই তথাকথিত ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট তাদের হামলা চালিয়ে যাচ্ছে৷''

এদিকে, তুরস্কভিত্তিক সিরিয়ার বিদ্রোহী দলগুলো জানিয়েছে, সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তারা রবিবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে৷ যে শহরটি গত সপ্তাহে ইসলামিক স্টেটের কাছ থেকে মুক্ত করা হয়৷ তবে সিরিয়ার সেনাবাহিনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি৷

ফ্রি সিরিয়ান আর্মি-র বিদ্রোহীরা রবিবার রাতে একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাডেফ শহরের কাছে আল-বাবে সংঘর্ষ শুরু হয় রবিবার সন্ধ্যা থেকে যেখানে সেনাবাহিনী আইএস-এর কাছ থেকে স্থানটি দখল করেছে৷

এদিকে, জাতিসংঘের দূত স্তাফান দে মিস্তুরা সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং সরকার বাহিনী দু'পক্ষের প্রতিনিধিদের জেনিভায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলের আলোচনার জন্য, যাতে ৬ বছর ধরে চলা এই সংকটের সমাধান সম্ভব হয়৷ তবে দু'টি বিদ্রোহী গোষ্ঠী এতে যোগ দিলেও বাকিরা যোগ দেননি৷ স্টাফানের সঙ্গে আলোচনার পর তাদের একটি দল জানিয়েছে, সরাকারবাহিনী তাদের সদস্যদের উপর আবারও হামলা চালিয়েছে এবং এই আলোচনায় তাদের কোন প্রতিনিধি না থাকায়, সফল কোন আলোচনা সম্ভব নয়৷

এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়