1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘সিরিয়ায় বিদ্রোহীরাও রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করেছে’

সিরিয়াকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ক্রমশ আরও জটিল হয়ে উঠছে৷ ইসরায়েলের হামলা, তার প্রতিক্রিয়া, সরকার ও বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগের অভিযোগ সংকটে নতুন মাত্রা যোগ করছে৷

রবিবার ভোরেই সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে শোনা গেল মারাত্মক বিস্ফোরণের শব্দ৷ বলা হচ্ছে, লক্ষ্যবস্তু ছিল অস্ত্রের এক গুদাম, যেখানে নাকি ইরান থেকে পাঠানো ‘ফতেহ ১১০' ক্ষেপণাস্ত্র জমা ছিল৷ তাও সিরিয়ার জন্য নয়, লেবাননে হেজবোল্লাহ-র জন্য৷ সিরিয়ার দাবি, সেটা আসলে সামরিক গবেষণা কেন্দ্র৷ বিদ্রোহীদের সংগঠন সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস দাবি করেছে, ইসরায়েলের হামলার ফলে কমপক্ষে ৪২ জন সিরীয় সৈন্য নিহত হয়েছে৷

গোটা অভিযান নিয়ে অস্পষ্টতা এখনো কাটে নি৷ ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়েছিল নাকি শুধু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল, তা নিয়েও বিভ্রান্তি রয়েছে৷ ইসরায়েল এ বিষয়ে বিশেষ কিছু বলতে রাজি নয়৷ জানুয়ারি মাসেও একই লক্ষ্যবস্তুর উপর ইসরায়েল হামলা চালিয়েছিল৷ এক্ষেত্রে সরাসরি সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে, বিশেষজ্ঞরা এমনটা মনে করছেন না৷ কিন্তু সিরিয়ার অরাজকতার সুযোগ নিয়ে ইসরায়েলের জাতশত্রু হেজবোল্লাহ শক্তিশালী হয়ে উঠুক, এমনটা হতে দিতে চায় না সে দেশ৷

এমন হামলার মুখে বাশার আল-আসাদের সরকার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালাবার ইচ্ছা বা ক্ষমতা রাখে কি না, তাও বলা কঠিন৷ সম্প্রতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কিছু সাফল্য পেয়েছে আসাদের বাহিনী৷ আপাতত, তাদের হামলা প্রতিহত করতেই ব্যস্ত সরকার৷

সিরিয়ার সংকটের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সমাজের হাত-পা কতটা বাঁধা, তাও বার বার স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে৷ বাশার আল-আসাদের সরকার রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করেছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তার আলোকে সিরিয়ায় আন্তর্জাতিক সামরিক অভিযানের দাবি বেড়ে চলেছে৷ কিন্তু এবার বিদ্রোহীদের একাংশের বিরুদ্ধেও একই রকম অভিযোগ শোনা যাচ্ছে৷ জাতিসংঘের মানবাধিকার তদন্তকারী কার্লা ডেল পন্টে বলেছেন, বিদ্রোহীরা সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে সংগ্রামে মারাত্মক সারিন গ্যাস ব্যবহার করেছে, এমন কিছু প্রমাণ পাওয়া গেছে৷ তবে এ বিষয়ে চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হতে আরও তদন্ত চালাতে হবে৷

এমন জটিল পরিস্থিতিতে আসাদের অপসারণ চাইলেও বিদ্রোহীদের ভাবমূর্তি নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে৷ তাদের মধ্যে চরম ইসলামপন্থি, আল-কায়েদার ঘনিষ্ঠ, সাম্প্রদায়িক শক্তিও রয়েছে, যারা ক্ষমতায় এলে সিরিয়ার ভবিষ্যৎ কী হবে, তা কেউ জানে না৷

এসবি/ডিজি (ডিডাব্লিউ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন