1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সিরিয়ায় কিছু একটা করা দরকার, কিন্তু কী?

অ্যামেরিকা ‘নিষ্ক্রিয়'৷ রাশিয়া সিরিয়ায় সামরিক কার্যকলাপ বাড়াচ্ছে৷ বাশার আল-আসাদকে পছন্দ না করলেও পশ্চিমা জগত হয়ত সাময়িকভাবে তাঁকে বরদাস্ত করবে৷ এ অবস্থায় বিভিন্ন সম্ভাব্য পরিণতি উঠে আসছে৷

সিরিয়ার সংকট আর উপেক্ষা করা যাচ্ছে না৷ একদিকে ইউরোপে শরণার্থীদের ঢল নেমেছে, অন্যদিকে রাশিয়া সিরিয়ার উপর প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা মধ্যপ্রাচ্য থেকে হাত গুটিয়ে নিয়েছেন বলে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে এগিয়ে এসেছেন – এমন অভিযোগ শোনা যাচ্ছে৷ এমন সংকটের ক্ষেত্রে অ্যামেরিকা সক্রিয় সামরিক ভূমিকা পালন করলে সমালোচনার মুখে পড়ে, যেমনটা ইরাক ও আফগানিস্তানের ক্ষেত্রে ঘটেছিল৷ অন্যদিকে সামরিক অভিযান সম্পর্কে ওবামা প্রশাসনের অনীহাও তোপের মুখে পড়ছে৷ তবে সিরিয়ায় যে কিছু একটা করা দরকার, ওবামা নিজেও সেটা বুঝছেন৷

শরণার্থীদের ঢল নামার কারণে ইউরোপ সরাসরি সিরিয়া সংকটের পরিণাম টের পাচ্ছে৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র বিষয়ক কর্মকর্তা ফেডেরিকা মোগেরিনি এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তাঁর অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন৷

জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সিরিয়া সংকটের সমাধানের ক্ষেত্রে অ্যামেরিকা ও রাশিয়া ছাড়াও আঞ্চলিক শক্তিগুলিকে শামিল করা উচিত বলে মনে করে৷

সিরিয়ার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন ও মস্কোর স্বার্থ ও নীতি বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন সম্ভাব্য প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন বিখ্যাত সাংবাদিক টমাস ফ্রিডম্যান৷

ব্রেট ডেবরিৎস সিরিয়ায় বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে ওবামার ভূমিকা নিয়ে লেখা একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন৷

‘ওবামা ডকট্রিন' কি সত্যি বিফল হচ্ছে? এ বিষয়ে লেখা একটি সংবাদভাষ্য শেয়ার করেছেন কার্ল বারাল্ড৷

সিরিয়ার মধ্যেই শরণার্থীদের জন্য নিরাপদ এলাকা চিহ্নিত করার প্রস্তাব সম্পর্কে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল সংশয় প্রকাশ করেছেন৷ তাঁর এই অবস্থানের প্রশংসা করে একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন এসিন৷

সংকলন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন