1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস করবে জার্মানি

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমধ্যসাগরে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসে সহায়তা করার বিষয়টি বিবেচনা করছে জার্মানি৷ এর আগেও কিছু রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসে সহায়তা করেছিল বার্লিন৷

জার্মানির সশস্ত্র বাহিনী ‘বুন্ডেসভার' সম্ভবত নতুন এক মিশনে অংশ নিতে যাচ্ছে৷ জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগরে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের কাজে মার্কিনীদের সহায়তা করবে জার্মানি৷ রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের কাজ মূলত একটি মার্কিন জাহাজে করা হবে৷ জার্মান নৌবাহিনী সেই জাহাজটির নিরাপত্তা দিতে পারে৷

জাতিসংঘের ম্যান্ডেট অনুযায়ী, বাশার আল-আসাদের নেতৃত্বাধীন সিরিয়ার শাসকগোষ্ঠীকে ২০১৪ সালের জুন মাসের মধ্যে সব রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস করতে হবে৷ তবে এই প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে৷ সেদেশের সরকার দু'টি গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা লঙ্ঘন করেছে৷ বাশার সরকার অবশ্য জানিয়েছে, সিরিয়ায় অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে অস্ত্র ধ্বংসের প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে৷

এদিকে, রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের জন্য মার্কিন শিপ ‘এমভি কেপ রে' প্রস্তুত করা হয়েছে৷ ৬৪৮ ফুট লম্বা এই কার্গো শিপটি সাধারণত ত্রাণ সরবরাহের কাজে ব্যবহার করা হয়৷ দক্ষিণ ইটালির একটি বন্দরে ঐ জাহাজটিতে ৬৫০ মেট্রিক টন রাসায়নিক দ্রব্য তোলা হবে৷

ভূমধ্যসাগরের ঠিক কোন অংশ রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের কাজ করা হবে, তা অবশ্য জানায়নি মার্কিন কর্মকর্তারা৷ তবে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে কেপ রে মিশন সম্পন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে৷

প্রসঙ্গত, সিরিয়া সংকট নিরসনে জেনেভায় শান্তি আলোচনা চলছে৷ তবে আলোচনা চলাকালে গৃহযুদ্ধে প্রাণহানি থেমে নেই৷ সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের তথ্য অনুযায়ী, জেনেভায় গত ২২ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্যায়ের শান্তি আলোচনা শুরুর পর থেকে প্রতিদিন গড়ে ২৩৬ ব্যক্তি প্রাণ হারাচ্ছেন৷

জেনেভা আলোচনা থেকে সুনির্দিষ্ট কোন ফলাফলও এখনো পাওয়া যায়নি৷ সিরিয়া সরকারের বিরোধী পক্ষ ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রস্তাবিত ‘বিদেশি যোদ্ধাদের' সরিয়ে নেয়া এবং নির্বাচনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনায় সরকার এখনও রাজি হয়নি৷ বরং সরকার তাদের ভাষায় ‘সন্ত্রাসীদের' বিরুদ্ধে যুদ্ধের বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী৷

এআই/ডিজি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়