1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সারা বিশ্বে দুই কোটি আশি লক্ষ শিশু গৃহহীন

ইউনিসেফের সর্বশেষ বিবরণ অনুযায়ী বিশ্বব্যাপি ২৮ মিলিয়ন শিশু সহিংস সংঘাতের কারণে উদ্বাস্তু হতে বাধ্য হয়েছে৷ প্রায় সমান সংখ্যক শিশু সুন্দর জীবনেরআশায় ঘরছাড়া৷

বিশ্বের জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশই শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্ক৷ কিন্তু উদ্বাস্তুদের প্রায় অর্ধেকই শিশু বলে ইউনিসেফের রিপোর্টে প্রকাশ৷ রিপোর্টটি প্রকাশিত হয় গত মঙ্গলবার, ৬ই সেপ্টেম্বর৷ রিপোর্টের শিরোনাম, ‘ছিন্নমূল: উদ্বাস্তু ও অভিবাসী শিশুদের ক্রমবর্ধমান সংকট'৷ ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী গত এক দশকে ঘরহারা শিশুদের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে৷

বাস্তুহারা বা গৃহহীনদের মধ্যে প্রায় এক কোটি শিশু উদ্বাস্তু ও দেশছাড়া; এছাড়া দশ লাখ শিশু রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী৷ বাকি এক কোটি সত্তর লাখ শিশু সংঘাতের কারণে স্বদেশেই ঘরছাড়া৷ প্রতিবেনটিতে আরো বলা হয়েছে, শিশু উদ্বাস্তুদের ৪৫ শতাংশই সিরিয়া ও আফগানিস্তানের৷ ঘরছাড়া শিশুরা ক্রমেই আরো বেশি করে একা একা যাত্রা করছে, অর্থাৎ বাবা-মা বা অভিভাবক ছাড়াই দেশ ছাড়ছে৷ ২০১৫ সালে এক লক্ষ অভিভাবকহীন অপ্রাপ্তবয়স্ক ৭৮টি দেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছে; এই সংখ্যা ২০১৪ সালের তুলনায় প্রায় তিনগুণ৷ রিপোর্টে অনুমান করা হয়েছে যে, আরো প্রায় দু'কোটি শিশু দারিদ্র্য ও ‘গ্যাং ওয়ারফেয়ার' বা দলগত সহিংসতার কারণে অভিবাসী হয়েছে৷

ভিডিও দেখুন 01:21

উদ্বাস্তু ও অভিবাসীদের সন্তানরা যাত্রাপথে বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকি ও বিপদের সম্মুখীন হয়, যেমন সাগর পাড়ি দেবার সময় নৌকাডুবি; এছাড়া অপুষ্টি, জলাভাব, অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যা৷ অন্য দেশে পৌঁছানোর পরেও প্রায়শই তাদের বৈষম্য ও বহিরাগত বিদ্বেষের শিকার হতে হয়৷ ইউনিসেফ আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রসমাজের প্রতি এসব শিশুর জন্য সুরক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার ব্যবস্থা করতে বলেছে৷ অপরদিকে সরকারবর্গকে দেখতে হবে, অগণিত উদ্বাস্তু ও অভিবাসীরা ঘর ছাড়ছেন কেন এবং সে বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে৷

‘‘আমরা (আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রসমাজের কাছ থেকে) স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি ও বাস্তব পদক্ষেপ দেখতে চাই-'' নিউ ইয়র্কে সাংবাদিকদের বলেছেন ইউনিসেফের সহকারী কার্যনির্বাহী পরিচালক জাস্টিন ফরসাইথ৷ তিনি আরো বলেন,‘‘এই সংকটে দায়িত্ব বণ্টন ঠিকমতো হচ্ছে না: প্রতিবেশী বা দরিদ্রতম দেশগুলিই সবচেয়ে বড় ভাগটা বহন করছে৷''

আগামী ১৯শে ও ২০শে সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে একটি নয়,উদ্বাস্তু সমস্যা সংক্রান্ত দু'টি শীর্ষবৈঠক অনুষ্ঠিত হবে৷ জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল সে দু'টি শীর্ষবৈঠকে উপস্থিত থাকবেন না৷ তা সত্ত্বেও ফরসাইথ উদ্বাস্তু সংকটে ম্যার্কেলের ভূমিকাকে বাকি বিশ্বের পক্ষে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরেছেন৷

‘‘এ ধরনের নীতিসম্পন্ন একজন চ্যান্সেলরকে পেয়ে জার্মানদের গর্বিত হওয়া উচিত'', বলেছেন জাস্টিন ফরসাইথ৷

জেবিএইচ/এসি/এসিবি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়