1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ব্লগওয়াচ

‘সারা দেশের এমন হাজার হাজার ছবি অপ্রকাশিত থাকছে’

দুই টেবিলের মাঝখানে রাখা একটি গাছের মোটা ডালের সঙ্গে উলটো হয়ে ঝুলে থাকা এক ব্যক্তির ছবি দেখে বিস্মিত হয়েছেন অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী৷ তবে ছবিটি কার তা নিশ্চিত নয়৷

Proteste gegen Wahl in Bangladesh (Getty Images/Afp/Munir uz ZAMAN)

প্রতীকী ছবি

ছবিটি প্রকাশ করেছে প্রথম আলো৷ এর সঙ্গে যে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে তা পাঠিয়েছেন ঐ পত্রিকার যশোর প্রতিনিধি৷ প্রথম আলোর প্রতিবেদন বলছে, ছবির মানুষটি হচ্ছেন ৩০ বছর বয়সি আবু সাঈদ৷ পুলিশ তার কাছে ঘুষ চেয়েছিল৷ কিন্তু সাঈদ তা না দেয়ায় তাকে এভাবে ঝুলিয়ে পেটানো হয়৷

তবে শুক্রবার সকালে সাঈদ সাংবাদিকদের জানান, পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু ছবিটি তার নয়৷

এদিকে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একজনের বরাত দিয়ে বাংলা ট্রিবিউন বলছে, শুক্রবার সকালে সাংবাদিকরা যাওয়ার আগে পুলিশ সাঈদদের বাড়িতে গিয়েছিল৷ তাই ভয়ে এখন ঐ বাড়ির লোকজন সত্য কথা বলছে না৷

এই বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন বলেছেন, ‘‘ছবিটি এখন নয়, বেশ আগে তোলা৷’’ অর্থাৎ ছবির মানুষটি সাঈদ না হলেও অন্য আরেকজনকে যে এভাবে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল তা পুলিশ কর্মকর্তার এই বক্তব্য থেকে জানা যাচ্ছে৷

ছবিটি যেহেতু স্থিরচিত্র, তাই ঝুলানোর পর ঐ ব্যক্তিকে পেটানো হয়েছিল কিনা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না৷

ফেসবুক ব্যবহারকারী আব্দুল কুদ্দুস প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত ছবিটি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘‘সারা দেশের এমন হাজার হাজার ছবি অপ্রকাশিত থাকছে৷ যাদের পেটানো হচ্ছে তারা নিরীহ, সাধারণ মানুষ অথবা বিরোধী দলের নেতা-কর্মী৷’’

তুহিন মালিক পুলিশের কয়েকটি অতীত ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, সেসব অপরাধের জন্য পুলিশের কোনো বিচার হয়নি৷ যেমন গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকার মিরপুরে একজন চা বিক্রেতা চাঁদা না দেয়ায় পুলিশ তার কেরোসিনের চুলায় বাড়ি মারলে সেখান থেকে কেরোসিন ছিটকে তার গায়ে লাগলে আগুন ধরে যায়৷ পরে ঐ চা বিক্রেতার মৃত্যু হয়৷ তুহিন মালিক বলেন, ‘‘পুলিশের বিচার করবে কে - এই বদ্ধমূল ধারণাই যেন পুলিশকে দূর্বৃত্তে পরিণত করে দেয়!’’

শ্রীমঙ্গলে ব্যবসায়ী, পথচারীদের উপর বিজিবির হামলা

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে গাড়ি ওভারটেকিং নিয়ে এক পরিবহন শ্রমিকের সঙ্গে বিজিবি কর্মকর্তার বাকবিতণ্ডার জের ধরে বিজিবি ও পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়৷ এ সময় বিজিবির ছোড়া গুলিতে ৬ জন আহত হন বলে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন৷ ঐ ঘটনার প্রেক্ষিতে শ্রীমঙ্গলের মালিক শ্রমিক সংগঠন ও ব্যবসায়ী সমিতি বৃহস্পতিবার রাতে শহরে মাইকিং করে ধর্মঘটের ডাক দেয়৷ ফলে শুক্রবার ভোর থেকে সেখানকার সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে৷ পরিবহন ধর্মঘটও চলছে৷ শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে৷

সংকলন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

প্রিয় পাঠক, আপনি কিছু বলতে চাইলে নীচে মন্তব্যের ঘরে লিখুন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন