1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পুনরএকত্রিত জার্মানি

সাবেক পূর্ব জার্মানির সঙ্গে নতুন প্রজন্মের সম্পর্ক

প্রায় ২০ শতাংশ জার্মান নাগরিকের বিভক্ত দুই জার্মানির সময়কাল সম্পর্কে ধারণা নেই৷ এর মূল কারণ, এদের বেশির ভাগই জন্মগ্রহণ করেছে ১৯৯০ সালের পরে৷ তবুও জানার চেষ্টা করা হয়েছে দুই জার্মানির পুনরেকত্রীকরণ সম্পর্কে তাদের মতামত৷

default

পেট্রা লিনসেন একটি স্কুলে ইতিহাস পড়ান৷ নতুন প্রজন্মের কাছে জার্মানির ইতিহাস কতটা গুরুত্বপূর্ণ? ভেঙ্গে পড়া বার্লিন প্রাচীর সম্পর্কে কে কতটা জানে? এসব প্রশ্নের উত্তরে অর্ধেকেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী ইতিবাচক সায় দেয়৷ কিছু না কিছু সবাই জানে৷

শিক্ষিকা প্রশ্ন করেছিলেন, বার্লিন প্রাচীরের গায়ে ছিল নানা রঙের অসংখ্য গ্রাফিটি আর স্লোগান, বিষয়টি ভাবতে কেমন লাগছে ? কেমন ছিল দেখতে সাবেক পূর্ব জার্মানির দেয়ালটি ? এক ছাত্র মুখ বাঁকা করে বলল, ‘‘কখনোই এমন কিছু ছিল না৷ কারণ দেয়ালের কাছে কেউই যেতে পারতো না৷'' আরেকজন ছাত্রী বলল, ‘‘সারাক্ষণই প্রাচীরের কাছে কড়া পাহারা বসানো থাকতো৷ তীক্ষ্ণ নজর রাখা হতো দেয়ালের দু'পাশেই৷''

Flash-Galerie Kreis Demmin hat zweihöchste Arbeitslosigkeit

প্রায় ২০ শতাংশ জার্মান নাগরিকের বিভক্ত দুই জার্মানির সময়কাল সম্পর্কে ধারণা নেই (ফাইল ফটো)

পূর্ব-পশ্চিমের অদৃশ্য দেয়াল

আজকের যুগের ১৭-১৮ বছরের ছেলেমেয়েদের কাছে বিভক্ত জার্মানি, ভেঙে পড়া প্রাচীর এবং দুই জার্মানির পুনরেকত্রীকরণের চাক্ষুষ কোন স্মৃতি নেই৷ সব কিছুই তারা দেখে ছবিতে, টেলিভিশনে বা পত্রিকার পাতায়৷ তবে একটি কথা সত্য৷ এদের চিন্তা-ভাবনায় কোন দেয়াল নেই৷ এপারে কী আছে, আর ওপারে কী নেই – এ ধরণের ভাবনা থেকে মুক্ত এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা৷

তরুণ প্রজন্মের চিন্তা-চেতনা, তাদের চলাফেরা নিয়ে গবেষণা করছেন টোমাস গেনসিকে৷ মিউনিখের একটি ইন্সটিটিউটে তিনি কাজ করছেন৷ তিনি বললেন, ‘‘২০ বছর পর জার্মানির ছেলে-মেয়েরা এক হয়ে মিশতে পারছে৷ ‘আমি পূর্বের আর ও পশ্চিমের' – এই বোধগুলো নেই৷ তবে একথা সত্যি, আর্থিকভাবে পূর্বের চেয়ে পশ্চিমের ছেলেময়েদের অবস্থা অনেক ভাল৷ পূর্বের ছেলে-মেয়েরা চাকরি, ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ খুঁজতে আসে পশ্চিমে৷ আর এ কারণেই বোধ করি পূর্বাঞ্চলে বেকারত্বের হার এখনো অনেক বেশি৷''

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন