1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

সাবেক জার্মান প্রেসিডেন্ট রোমান হ্যার্ৎসোগ পরলোকে

১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ সাল অবধি জার্মানির প্রেসিডেন্ট ছিলেন রোমান হ্যার্ৎসোগ৷ ৮২ বছর বয়সে পরলোকগমন করলেন তিনি৷

জার্মানির পুনর্মিলনের পর প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ছিলেন রোমান হ্যার্ৎসোগ৷ সেই নির্বাচন খুব সহজ হয়নি৷ ফেডারাল অ্যাসেম্বলিতে তৃতীয়বারের ভোটে জার্মানির প্রধানত আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপ্রধান পদে নির্বাচিত হন রোমান হ্যার্ৎসোগ৷ এছাড়া তিনি শাসক খ্রিষ্টীয় গণতন্ত্রী দলের প্রথম বাছাই ছিলেন না৷ সিডিইউ দল চেয়েছিল স্যাক্সনি রাজ্যের আইনমন্ত্রী স্টেফেন হাইটমানকে প্রেসিডেন্ট করতে; কিন্তু হাইটমান হলোকস্টে জার্মানির ভূমিকা সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করার পর দ্বিতীয় বাছাই হিসেবে হ্যার্ৎসোগের নাম আসে৷

নির্বাচনের পরেই হ্যার্ৎসোগ তাঁর বিরোধীদের উদ্দেশ্যে বলেন: ‘‘আমি এমনভাবে এই প্রশাসনকে নেতৃত্ব দেবার চেষ্টা করব যে, আপনারা আমাকে ভোট না দেওয়ার জন্য দুঃখবোধ করবেন৷''

১৯৯৪ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন

১৯৯৪ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন

ন্যায় ও আইনের শাসন

হ্যার্ৎসোগের জন্ম ১৯৩৪ সালে, বাভেরিয়ার লান্ডসহুট শহরে৷ প্রথমে তিনি অধ্যাপনার দিকে যান৷ সিডিইউ দলে যোগদান করেন ১৯৭০ সালে, তার তিন বছর পর থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়৷ পরে তাঁকে জার্মানির সাংবিধানিক আদালতের বিচারক নির্বাচন করা হয়৷ ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৭ সাল অবধি তিনি এই আদালতের বিচারক ছিলেন৷ ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৪ সাল অবধি আদালতের প্যানেলে মুখ্য বিচারকও ছিলেন৷ ১৯৯৪ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন৷

হ্যার্ৎসোগের সম্পূর্ণ রাজনৈতিক জীবনের মূলমন্ত্র ছিল আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার, যে কারণে তিনি জার্মানি ও বহির্বিশ্বে সকলের সম্মান কুড়িয়েছেন৷

জার্মানির অপরাধ মেনে নেওয়া

রোমান হ্যার্ৎসোগ বহির্বিশ্বে সম্মান ও স্বীকৃতি পেয়েছেন আরো একটি কারণে: ১৯৯৪ সালেই তিনি ওয়ারশ অভ্যুত্থানের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে নাৎসি জার্মানির বিভিন্ন যুদ্ধাপরাধের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন৷

সেই হ্যার্ৎসোগই ১৯৯৯ সালে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় বলেন, ‘‘আমি একটি পদ থেকে বিদায় নিচ্ছি, জীবন থেকে অবসর নিচ্ছি না৷''

এসি/এসিবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়