1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

সাখারভ পুরস্কারে ভূষিত মালালা

ঘটনাটা ২০১৩ সালের৷ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে গিয়ে নিজের হাতে ‘সাখারভ প্রাইজ ফর ফ্রিডম’ গ্রহণ করেন পাকিস্তানের কিশোরী মালালা ইউসুফজাই৷ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তসলিমা নাসরিন৷

শিশুদের জন্য শিক্ষার দাবিতে সোচ্চার মালালা৷ তালেবানের চোখরাঙানি, বুলেটের আঘাত – কিছুই দমাতে পারেনি তাঁকে৷ এমন সাহসী ও দৃঢ় অবস্থানের স্বীকৃতি হিসেবেই মালালা পেয়ে চলেছেন একের পর এক পুরস্কার৷ বুধবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট মার্টিন শুলৎস মালালার ভূয়সী প্রশংসা করে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন৷ তিনি মালালাকে শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এক ‘গ্লোবাল আইকন' বা আন্তর্জাতিক প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন৷ মৌলবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও তাঁর অবদানের কথা স্বীকার করেন মার্টিন শুলৎস৷

মালালা তাঁর ভাষণে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের উদ্দেশ্যে সারা বিশ্বে শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে সংগ্রামের ডাক দিয়েছে৷ প্রায় ৫ কোটি ৭০ লক্ষ শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত, তারা স্কুলে যেতে পারে না৷ ফলে সবারই বিবেক দংশন হওয়া উচিত বলে মনে করে মালালা৷ শুধু ইউরোপের মধ্যে দৃষ্টি আবদ্ধ না রেখে সর্বত্র মানবাধিকার রক্ষার প্রতি মনোযোগ দেবার আবেদন করে সে৷ যে সব শিশু দারিদ্র্য, নির্যাতন ও সন্ত্রাসবাদের শিকার হচ্ছে, তারা আইফোন, এক্সবক্স, প্লে-স্টেশন বা চকোলেট চায় না৷ মালালার মতে, তাদের হাতে বই ও কলম তুলে দিলেই তারা সন্তুষ্ট হবে৷

তাঁর নিজের সংগ্রাম চালিয়ে যেতে এই পুরস্কার অত্যন্ত সহায়ক হবে৷ মালালা এই পুরস্কারটি পাকিস্তানের সেই সব মানুষের প্রতি উৎসর্গ করেছে, যাঁরা সবার অলক্ষ্যে একই প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন৷ গোটা বিশ্বে যাঁরা মৌলিক মানবাধিকারের জন্য লড়াই করছেন, তাঁদেরকেও একই আসনে বসিয়েছেন তিনি৷

সবচেয়ে কম বয়সি সাখারভ পুরস্কারজয়ী হিসেবে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছেন পাকিস্তানের এই কিশোরী মেয়েটি৷ তাও এমন এক বছরে, যখন এডওয়ার্ড স্নোডেনের নামও সাখারভ পুরস্কারের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছিল৷ চূড়ান্ত তালিকা থেকে শুধু মালালাকেই বেছে নেয়া হয়৷

বুধবার ২৫তম পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাখারভ পুরস্কার বিজয়ী আরও ২১ জন৷ তাঁদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনও৷ ১৯৯৪ সালে তিনি এই পুরস্কার পান৷ তিনি বলেন, নারীশিক্ষা ও নারী অধিকারের প্রতি ইউরোপ তার সমর্থন দেখাচ্ছে৷

এসবি/ডিজি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন