1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ক্রিকেট

সাকিব-মুশফিকের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ?

এই প্রশ্ন নিয়েই তৃতীয় দিনের খেলা দেখতে বসবেন বাংলাদেশের সবাই৷ কারণ, শ্রীলঙ্কার ৩৩৮ রানের জবাবটা খুব ভালো হতে হতেও হয়নি৷ ৫ উইকেটে ২১৪ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে মুশফিকের দল৷

Bangladesh - Cricketspieler Shakib Al Hasan & Mushfiqur Rahim (Getty Images/H. Hopkins)

ফাইল ফটো

বড় কথা হলো, দ্বিতীয় দিন শেষে দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ দুই ‘যোদ্ধা' সাকিব আল হাসান (১৮*) আর মুশফিকুর রহিমই (*২) ছিলেন উইকেটে৷ তাঁদের জন্য যুদ্ধটা অবশ্য বেশ কঠিন৷ শেষ বিকেলে মাত্র ৬ রানের ব্যাবধানে ৩ উইকেট হারানো দলকে টেনে তোলার মূল দায়িত্ব তো এখন তাঁদেরই৷

কঠিন হলেও সেই দায়িত্ব পালনের সামর্থ্য তাঁদের আছে৷ কয়েকদিন আগেই তো নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৫৯ রানের রেকর্ড জুটি গড়েছিলেন তাঁরা৷ সাকিব করেছিলেন ডাবল সেঞ্চুরি (২১৭) আর অধিনায়ক মুশফিক খেলেছিলেন ১৫৯ রানের অনবদ্য এক ইনিংস৷ তবে তারপরও দল হেরেছিল৷ এবার প্রথমে হার এড়ানো এবং তারপর জয় নিশ্চিত করার দিকে এগোতে চাইলে আরো দায়িত্ব নিয়ে ব্যাট করতে হব তাঁদের৷

ঠিক যেমনটি দীনেশ চান্ডিমাল করেছেন শ্রীলঙ্কার হয়ে৷ মূলত দ্বিতীয় দিনে তাঁর অষ্টম সেঞ্চুরি (১৩৮) এবং রঙ্গনা হেরাথ (২৫) ও লাকমালের (৩৫) ছোট ছোট দু'টো ইনিংসের জন্যই কলম্বো টেস্টের প্রথম ইনিংসে তিনশ' পেরোতে পেরেছে স্বাগতিকরা৷ ৩ উইকেট নিয়েছেন মেহেদি হাসান মিরাজ এবং দুটি করে উইকেট পেয়েছেন মুস্তাফিজুর, শুভাশীষ এবং সাকিব৷ বাকি উইকেটটি তাইজুলের৷

বাংলাদেশের শততম টেস্টের প্রথম ইনিংসের সূচনাটা অবশ্য খুব ভালো হয়েছিল৷ কিন্তু ফিফটির ঠিক আগেই তামিম (৪৯) হেরাথের বলে এলবিডাব্লিউ হওয়ায় ৯৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ৷ অন্য ওপেনার সৌম্য সরকার ফিফটি মিস করেননি৷ তবে ফিফটিকে সেঞ্চুরি বানাতে এবারও তিনি ব্যর্থ৷ এবার ৬১ রানে শেষ হয় বাঁ হাতি এই ব্যাটসম্যানের ইনিংস৷ ফলে ইমরুল কায়েসের সঙ্গে তাঁর দ্বিতীয় উইকেট জুটিটা ভেঙে যায় ৩৫ রানে৷ সান্দাকানের শিকার হয়ে সৌম্যর বিদায় প্রায় ভুলিয়েই দিয়েছিল ইমরুল-সাব্বিরের জুটি৷ কিন্তু দু'জনে মিলে ৫৭ রান তোলার পর খুব অল্প সময়ে ইমরুল কায়েস (৩৪), সাব্বির (৪২) এবং নাইট ওয়াচম্যান তাইজুলকেও (০) হারানোয় বাংলাদেশ আবার কিছুটা ব্যাকফুটে৷ দলকে পায়ে পায়ে এগিয়ে নিরাপদ গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বটা এখন সাকিব আর মুশফিকের কাঁধে৷

এসিবি/ডিজি    

নির্বাচিত প্রতিবেদন