1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সাকার ফাঁসির রায়, আগে প্রকাশ সংক্রান্ত বিতর্ক

মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৷ ২৩টি অভিযোগের মধ্যে নয়টি প্রমাণিত হয়েছে৷

এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আব্দুর রহিম হারমাছি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘সাকার ফাঁসির রায়ে প্রমাণিত হয়েছে আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলে৷ আইনের প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে গেছে অনেকের৷ একটি কথা বলতে চাই, যে দেশে সাকার মতো ‘প্রভাবশালী'-র ফাঁসির রায় হয় সেই দেশকে আর কেউ আটকে রাখতে পারবে না৷''

গণজাগরণমঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার ফেসবুতে লিখেছেন, ‘‘এ রায় জনগণের প্রত্যাশা পুরণ করেছে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে৷ রায় কার্যকরের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জিত হবে৷''

সামহয়্যার ইন ব্লগে ব্লগার মৃন্ময় ফাঁসির রায়ে আনন্দ প্রকাশ করে জানতে চেয়েছেন কবে সেটা কার্যকর করা হবে৷

এদিকে, ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার সকালে রায় দেয়ার আগেই সোমবার রাতে বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে সেটা প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে৷ ‘আমাদের সময়'-এর একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম ‘সাকা চৌধুরীর রায় প্রকাশের আগেই কপি ফাঁস, লিখেছে আইন মন্ত্রণালয়' প্রতিবেদনে মন্ত্রণালয়ের কার কম্পিউটারের কোন ড্রাইভ থেকে রায়ের ফাইল পাওয়া গেছে তাও উল্লেখ করা হয়েছে৷

Bangladesch Salauddin Quader Chowdhury Urteil 01.10.2013 Dhaka

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির আদেশ হওয়ায় উল্লাস

এ ব্যাপারে ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুহিন আফরোজ রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘আমরা শুনেছি এরকম একটি খবর, রায়ের কপি হাতে আসেনি৷ অনলাইনে প্রকাশিত কপি ও মূল রায়ের কপি দেখতে হবে কতখানি মিল আছে৷'' তিনি বলেন, ‘‘এটা আইনি লড়াই৷ আগে থেকেই এ বিচার প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র চলছে৷ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হচ্ছে কিনা এটাই মুখ্য বিষয়৷'' ব্যারিস্টার তুহিন আফরোজের এই মন্তব্যটি নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে শেয়ার করেছেন অমি রহমান পিয়াল৷

শরিফুল হাসান ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘সাকা চৌধুরীরা যে আসলেই অনেক বুদ্ধিমান সেটা আজকে আরেকবার প্রমাণিত হলো৷ আর সেই কারণেই তারা রায়ের কপি ফাঁস হয়ে গেছে বলে মিথ্যা প্রচারণা চালানোর মতো বুদ্ধি বের করেছে৷ সাকার স্ত্রী আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের কাছে আজকে কাঁদতে কাঁদতে একটা কপি দেখাইয়া বললেন, শেষের দিকের কিছু অংশ বাদে পুরা রায়ই ফাঁস হয়ে গেছে৷ আরে একটা মামলার রায়ের মূল অংশই তো শেষে থাকে৷ আর বাকি সব কিছুই চাইলে লেখা যায়৷ যারা রায় ফাঁস হয়ে গেছে বলে মিথ্যা প্রচারণায় সন্দেহ প্রকাশ করছেন বা বিভ্রান্ত হচ্ছেন তাদের বলছি, ট্রাইবুনালে নিয়মিত যান এমন যে কারো পক্ষেই এ লেখা সম্ভব....কাজেই চাইলেই একটা কপি বানিয়ে বলা যায় রায় ফাঁস হয়েছে৷ সাকা চৌধুরী গং আপনারা ভালো খেলছেন৷ কিন্তু বাংলার মানুষ এত বুদ্ধু নয় যে আপনাদের কথা বিশ্বাস করবে৷ আর যারা আপনাদের কথায় বিশ্বাস করে তারা এমনিতেই বিশ্বাস করবে৷ কারণ তারা সাঈদীকে চাঁদে দেখে৷''

তাঁর এই স্ট্যাটাসের নীচে তৌফিক এলাহি ‘আমাদের সময়'-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনটির লিংক দিয়ে লিখেছেন, ‘‘আমি এই নিউজটা পড়েছি বিচারকরা রায় পড়া শুরু করার সময়....পরে দেখলাম হুবুহু মিলে গেছে৷'' তবে এলাহির এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে শরিফুল হাসান লেখেন, ‘‘রায়ের মূল অংশ সাজা৷ সেখানে কি ছিল, কিভাবে ছিল, বিচারকদের ব্যাখা কি ছিল সেগুলো কিছুই মেলেনি৷ আর তকের্র খাতিরে যদি ধরেই নিই একটা মামলার রায়ের কপি লেখার পর কম্পিউটারে টাইপ করা এবং প্রিন্ট করে আনার ফাঁকে ফাঁসই হয়ে যায় তাতে কি সাকার অপরাধ কমে যায়? কখনোই না৷''

এদিকে সাকার রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি শুধু চট্টগ্রাম মহানগরে হরতাল ডাকায় বিএনপিকে ফেসবুকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইরেশ যাকের৷

সংকলন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়