1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

‘‘সাউন্ড অফ মিউজিক’’-এর ৪৫ বছর, ‘‘লা ডলচে ভিটা’’-র ৫০

একটি চিরকালের জনপ্রিয় ছবিগুলির মধ্যে একটি৷ অন্যটি সিনেমা সমঝদারদের ক্ল্যাসিক৷ এবং দু’টি ছবিই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বসংস্কৃতির অঙ্গ৷

default

১৯৬৫-র সেই ছবি

‘‘দ্য সাউন্ড অফ মিউজিক'' খোদ কলকাতায় কতোদিন চলেছিল, মনে নেই৷ তবে ছোটবড়ো সকলেই দেখতে গেছিল৷ কলকাতার মানুষ অস্ট্রিয়ার এই সত্য কাহিনী, এবং তার ইংরিজি সংস্করণের ছেট-বড় অভিনেতা-অভিনেত্রী, ও বিশেষ করে ছবির গানগুলোকে আপন করে নিয়েছিল৷ ‘দ্য হিলস আর এ্যালাইভ উইথ দ্য সাউন্ড অফ মিউজিক' - এ'তে কি জাদু ছিল জানি না৷ কিন্তু পোড় খাওয়া কলকাতাও যেন আবার নতুন করে বেঁচে উঠেছিল সেই গানের সাড়া পেয়ে৷

জুলিএ্যান্ড্রুস আজও ফ্যান মেইল পাচ্ছেন

মার্কিন মুলুকে অপ্রা উইনফ্রের টিভি শো'তে এবার সাউন্ড অফ মিউজিকের পুরো কাস্টকে আবার একত্রিত করা হয়েছিল৷ কিন্তু ফ্যানদের কাছে আরো বড় কথা বোধহয় এই যে, ছবিটির ৪৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে নতুন ডিভিডি এবং ব্লু-রে সংস্করণ বেরচ্ছে৷ তা'তে অনেক নতুন মালমশলা থাকবে, যেমন আদৎ মারিয়া ফন ট্র্যাপের সঙ্গে অভিনেত্রী জুলি এ্যান্ডুসের সাক্ষাৎ৷ জুলি এ্যান্ড্রুস আজ ৭৫৷ রয়টার্সের সাক্ষাৎকারে স্মৃতিচারণ করে বলেছেন, সাউন্ড অফ মিউজিক ছিল হলিউড মিউজিকালের স্বর্ণযুগের শেষের দিকের এক আলো ছড়ানো ছবি৷ ছবিটা প্রতি সাত বছর অন্তর একদল নতুন খুদে দর্শক পায়, কাজেই জুলি এ্যানড্রুসেরও ফ্যান মেইল পাওয়া কোনোদিনই বন্ধ হয়নি৷

ট্রেভি ফোয়ারায় সেই দৃশ্য

Anita Ekberg La Dolce Vita

রোমের ট্রেভি ফোয়ারায় একবার্গ

ওদিকে রোম ভুগছে নিছক নস্টালজিয়ায়৷ কেননা ফেদেরিকো ফেলিনির ‘‘লা ডলচে ভিটা'' বা ‘সুইট লাইফ'-এর ৫০ বছর হতে চলেছে৷ যুদ্ধপরবর্তী ইটালি যখন সবচেয়ে স্বপ্নালু, প্রাণোচ্ছল, বেপরোয়া, ঠিক তখনই এই ক্ল্যাসিক ছবিটি তৈরি করেন ফেদেরিকো ফেলিনি৷ নায়কের ভূমিকায় ছিলেন মার্চেল্লো মাস্ত্রোইয়ান্নি, যাঁকে চিকালের ল্যাটিন লাভার বলা চলে৷ নায়িকা ছিলেন অ্যানিটা একবার্গ, অতীব আকর্ষণীয় এক ব্লন্দিনী৷ রোমের প্রখ্যাত ট্রেভি ফোয়ারায় জলে দাঁড়িয়ে এই দু'জনের চুম্বন ফিল্মের ইতিহাসে এক অবিষ্মরণীয় দৃশ্য৷

একবার্গ অবশ্য স্মৃতিচারণ করে বলেছেন, ‘ট্রেভি ফোয়ারার জলটা যা ঠাণ্ডা ছিল না!''

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়