1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

সাইবার যুদ্ধ মোকাবিলায় জার্মানির প্রস্তুতি

স্টাক্সনেট এর কথা আপনাদের মনে আছে? ঐ যে ইরানের পরমাণু কর্মসূচির আওতায় থাকা বিভিন্ন স্থাপনার কম্পিউটারে আঘাত এনেছিল যে ম্যালওয়্যারটি৷ যার আক্রমণে অনেক কম্পিউটার অকেজো হয়ে পড়েছিল৷ সাইবার যুদ্ধের সবচেয়ে কার্যকর উদাহরণ এটি৷

এবার আরেকটি ঘটনার কথা বলি৷ ২০০৭ সালে সিরিয়ার একটি পরমাণু চুল্লিতে ইসরায়েলের জঙ্গি বিমান হামলা করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে৷ এই হামলা চালানোর আগে ইসরায়েল নাকি ইন্টারনেট ব্যবহার করে সিরিয়ার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বন্ধ করে দিয়েছিল৷

এই দুটি ঘটনা থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে, আধুনিক যুদ্ধের নতুন এক অস্ত্র হয়ে উঠেছে ইন্টারনেট৷ তাই এজন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশগুলো৷ এক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র৷ ইসরায়েলও যে বেশ ভাল করছে তাতো বোঝাই গেল সিরিয়ার কাহিনি থেকে৷ এছাড়া শুরুতে যে স্টাক্সনেটের কথা বলা হলো সেটাও যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলের তৈরি বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা৷

John Bumgarner, a cyber warfare expert who is chief technology officer of the U.S. Cyber Consequences Unit, a non-profit group that studies the impact of cyber threats, holds a notebook computer while posing for a portrait in Charlotte in this December 1, 2011 file photo. A United Nations agency charged with helping member nations secure their national infrastructures plans to issue a sharp warning about the risk of the Flame virus that was recently discovered in Iran and other parts of the Middle East. Evidence suggest that the virus, dubbed Flame, may have been built on behalf of the same nation or nations that commissioned the Stuxnet worm that attacked Iran's nuclear program in 2010, according to Kaspersky Lab, the Russian cyber security software maker that took credit for discovering the infections. REUTERS/John Adkisson/Files (UNITED STATES - Tags: SCIENCE TECHNOLOGY MILITARY)

স্টাক্সনেট এর কথা আপনাদের মনে আছে?

জার্মানি এক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকবে কেনো? তাইতো প্রায় এক বছর ধরে গোপনে ৬০ জন বিশেষজ্ঞকে সাইবার যুদ্ধ মোকাবিলার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে জার্মান সামরিক বাহিনী৷ এতোদিন এই খবরটা গোপন রাখলেও সম্প্রতি কয়েকজন সাংবাদিককে ঐ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়৷ তবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মোবাইল ফোন, লেপটপ, রেকর্ডিং এর যন্ত্রপাতি, ক্যামেরা কিছুই নিয়ে যেতে দেয়া হয়নি৷

কেন্দ্রটির অবস্থান বন শহর থেকে একটু দূরে রাইনবাখ নামক স্থানে৷ বিশেষ এই ইউনিটের নাম দেয়া হয়েছে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক অপারেশন বা সিএনও৷ এই প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনো শত্রুকে মোকাবিলা করতে সামরিক বাহিনীকে গড়ে তোলা৷

অবশ্য সামরিক বাহিনী ছাড়া এ ধরণের হামলা প্রতিহত করতে জার্মানির একটি কেন্দ্রীয় সংস্থা রয়েছে, যার নাম ‘জার্মান ফেডারেল অফিস ফর ইনফরমেশন সিকিউরিটি৷'

জেডএইচ / এসবি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন