1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সাংসদদের পদত্যাগপত্র জমা নিচ্ছেন খালেদা: সমকাল

সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে বিএনপি নতুন কৌশল নিচ্ছে৷ হরতালের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করেছেন দেশের ব্যবসায়ী নেতারা৷

default

সরকারের উপর আরও চাপ সৃষ্টি করার পথে এগোচ্ছেন খালেদা জিয়া

বিএনপির পরবর্তী পদক্ষেপ

শুধু হরতাল বা সরকার বিরোধী কর্মসূচি নয়, বিএনপি আরও বড় আকারের সংঘাতের পথে এগোচ্ছে বলে দাবি করছে সমকাল৷ সংবাদপত্রের প্রধান শিরোনামই হল, ‘সাংসদদের পদত্যাগপত্র জমা নিচ্ছেন খালেদা'৷ তাতে আরও লেখা হয়েছে, ইতিমধ্যে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের কাছে বেশ কয়েকজন সাংসদ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন৷ তবে খুব শিগগির জাতীয় সংসদ থেকে তাদের পদত্যাগ করার সম্ভাবনা কম৷ সরকারকে চাপের মুখে রাখার ‘কৌশল' হিসেবে সংসদ থেকে পদত্যাগের হুমকিস্বরূপ সাংসদদের কাছ থেকে এই পদত্যাগপত্র নিয়ে রাখা হচ্ছে বলে সূত্র আভাস দিয়েছে৷ সেই সূত্র আরও জানিয়েছে, আগামী ২৯ নভেম্বর খালেদা জিয়ার সেনানিবাসের বাড়ির মামলার আপিলের শুনানির আগে সব সাংসদের কাছ থেকেই পদত্যাগপত্র সংগ্রহ করা হতে পারে৷ যেসব সাংসদ পবিত্র হজ পালন এবং দেশের বাইরে রয়েছেন তাদের পদত্যাগপত্র পরে নেওয়া হবে৷

হরতালের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা

হরতাল রাজনৈতিক দলগুলির হাতিয়ার হলেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর এর কুপ্রভাব নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই৷ দৈনিক কালের কণ্ঠ লিখেছে, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এক সভায় হরতালের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশের ব্যবসায়ী নেতারা৷ প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে হরতালকে একটি ‘ভোঁতা' কর্মসূচি বলে উল্লেখ করে তাঁরা বলেছেন, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার ধকল কাটিয়ে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে৷ রপ্তানি আয়ে রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি হচ্ছে৷ বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশকে সম্ভাবনার দেশ হিসেবে চিহ্নিত করে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে আসছেন৷ এমন সময় হরতালের মতো 'ধ্বংসাত্মক' কর্মসূচি দিলে ব্যবসায়ীরা বসে থাকবে না৷

BDR Schießerei

বিডিআর বিদ্রোহের বিভীষিকা আজও কাটে নি

ওয়ান ইলেভেনের ঘটনায় ‘বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থা'র হাত

দৈনিক ইত্তেফাক লিখেছে, ওয়ান ইলেভেনে ক্ষমতা গ্রহণকারী জরুরি অবস্থার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে ছাত্র ও শিক্ষকদের সঙ্গে সেনা সদস্যদের সহিংস ঘটনায় ভয়াবহ নির্যাতনের জন্য একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থা দায়ী ছিল৷ ২০০৭ সালের আগস্টে সংঘটিত ঘটনার সোয়া তিন বছর পর এই বোমা ফাটালেন তখনকার সরকারেরই শিক্ষা উপদেষ্টা আইয়ুব কাদরী৷ গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির গঠন করা তদন্ত কমিটির কাছে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন৷ গতকাল আরো দুইজনের সাক্ষ্য দেয়ার কথা ছিল৷ তারা হচ্ছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব আবদুল করিম ও সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ৷ বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদেশে অবস্থান করায় আব্দুল করিম ঘটনার ব্যাপারে তার বক্তব্য লিখিতভাবে কমিটিকে জানিয়েছেন৷ আর সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ সাক্ষ্য দিতে কমিটির সামনে উপস্থিত হননি৷

সংকলন: সঞ্জীব বর্মন
সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সংশ্লিষ্ট বিষয়