1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘সরকার আছে, শাষন নেই, আছে শোষণ’

নিরাপত্তা এবং ক্ষতিপূরণের বিষয় জানতে চায় হাইকোর্ট – এই ছিল প্রতিবেদনটির শিরোনাম৷ বাংলাদেশে দশম সংসদ নির্বাচনের পরে সংখ্যালঘু নির্যাতনের যে ঘটনা ঘটে – তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে আমাদের ফেসবুক পাতায়৷

সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঐ বীভৎস ঘটনায় তাঁদের ক্ষতিপূরণ ও নিরাপত্তায় কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, তা নিয়েই ছিল আমাদের প্রশ্ন৷ আমরা আমাদের ফেসবুক বন্ধুদের জিজ্ঞাসা করেছিলাম, বাংলাদেশের আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিচালক নূর খানের একটি উক্তির সূত্র ধরে৷ প্রশ্ন ছিল: নূর খান ডয়চে ভেলেকে বলেন, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সরকার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছে বলে তাঁর মনে হয় না৷ আপনারও কি তাই মনে হয়?

অসংখ্য উত্তরের মধ্যে কয়েকটি এখানে তুলে দেয়া হলো৷ বলা বাহুল্য অনেকেই ফেসবুকে ছদ্মনাম ব্যবহার করে থাকেন, তাঁদের মন্তব্য এখানে রাখা হয়নি৷

সানিয়াত ইসমত, দুর্জয় মাহমুদ সাব্বির, মোহাম্মদ আলী রিফা, মোহাম্মদ আলমগীর এবং শেখ মোহাম্মদসহ অনেকে নূর খানের বক্তব্যের সঙ্গে একমত৷ তাঁরাও মনে করেন সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি৷

মনির হোসেন লিখেছেন, ‘সরকার আছে, শাষন নেই৷ তবে আছে শোষণ৷'

উজ্জ্বল দাস লিখেছেন, ‘‘ হিন্দুদের উপর হামলার বিচার চাই !''

অরূপ বিশ্বাস অনিমেষ বলছেন, ‘সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সরকার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছে – এটা কখনোই সম্ভব নয়৷ কারণ, সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরাই এই কাজগুলো করে৷'

মাহমুদ মিয়াজি লিখেছেন, ‘শুধুমাত্র সংখ্যালঘু হিন্দুদের মানবাধিকার নিয়ে ভাবলে হবে? ব়্যাব-পুলিশের হত্যাকাণ্ড নিয়েও ভাবুন!'

শোয়েব আলাম লিখেছেন, ‘...আরে সরকারি দলের লোকজনই তো এই কাজ করেছে৷ তা নিরাপত্তা দেবে কেমনভাবে?'

নুরুল ইসলাম নাহিদ মনে করেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করা আপাত দৃষ্টিতে সম্ভব নয়৷ তাঁর মতে, বাংলাদেশে আসলে কেউই নিরাপদ নয়৷ নুরুল ইসলাম নাহিদের ভাষায়, ‘যতক্ষণ রাজাকার আছে, দেশে কেউ নিরাপদ না৷'

আবুল বাশার খান মনে করেন, ‘যে আওয়ামী সরকার রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য সংখ্যালঘু নির্যাতন করে, তারা সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেবে এ আশা যারা করে তারা হয় বোকার রাজ্যে বাস করে, নয়ত...৷'

সংকলন: দেবারতি গুহ

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন