1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সম্ভাবনাময় সফটওয়্যার শিল্প

বাংলাদেশে সফটওয়্যার শিল্পের প্রবৃদ্ধি সবাইকে চমকে দিচ্ছে৷ শতকরা ৫০ ভাগ প্রবৃদ্ধি আর কোনো শিল্পে আছে কিনা বলা কঠিন৷ সংশ্লিষ্টরা মনে করেন সরকারের সহায়তা পেলে এই খাত বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে আরও বড় ভূমিকা রাখবে৷

শুধু প্রাতিষ্ঠানিক নয়, ব্যক্তিগত উদ্যোগেও অনেক তরুণ আউটসোর্সিং করে মাসে প্রায় লাখ টাকা আয় করছেন৷ তারা প্রচলিত ধারার চাকরি না খুঁজে হয়ে উঠছেন সাবলম্বী৷

চলতি বছরে সফটওয়্যার রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে ১০২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার৷ গত বছর এই আয় ছিল ৭০ মিলিয়ন ডলার৷ সফটওয়্যার রপ্তানিকারকদের সংগঠন বেসিস এর সাবেক সভাপতি ফাহিম মাশরুর ডয়চে ভেলেকে জানান, তাদের আশা আগামী বছর রপ্তানির পরিমাণ ২০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে৷

সফটওয়্যার তৈরি করে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এখন বাংলাদেশে প্রায় ছয়শো৷ ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করছেন এমন তরুণ, যুবকের সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার৷ বাংলাদেশের তৈরি সফটওয়্যারের বাজার গড়ে উঠেছে ইউরোপ, অ্যামেরিকায়৷ ফাহিম মাশরুর জানান, অনেকে হয়ত জানেনই না বড় বড় মোবাইল ফোন কোম্পানির ফোনসেটের জন্য নানা ধরণের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বাংলাদেশেই তৈরি হচ্ছে৷ এছাড়া ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন, বড় বড় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কাজের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করে নেয়া হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে৷

এসব কাজে প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে তরুণরা যুক্ত হচ্ছেন৷ বাংলাদেশে এখন ২৫ হাজার তরুণ আছেন যারা ঘরে বসেই আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে সফটওয়্যার তৈরি করে বাইরে পাঠাচ্ছেন৷ তাদের প্রত্যেকের আয় মাসে গড়ে এক থেকে দেড় হাজার ডলার৷

ফাহিম মাশরুর জানান শুধু ঢাকা নয় ঢাকার বাইরেও কাজ হচ্ছে৷ ঢাকার বাইরে সফটওয়্যার তৈরির প্রতিষ্ঠানও গড়ে উঠছে৷

তবে বাংলাদেশে এই শিল্পের প্রধান বাধা স্বল্পগতির ইন্টারনেট এবং তার খরচ৷ সেইসঙ্গে প্রশিক্ষিত জনবলের অভাবতো আছেই৷ বেসিসের উদ্যোগে প্রতিবছরই কিছু প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়৷ তবে এজন্য সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করেন ফাহিম মাশরুর৷ তিনি বলেন ঢাকার কারওয়ান বাজারে একটি ভবন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, যেখানে সফটওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জায়গা পেয়েছে৷ আর ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো ও খরচ কমানোর উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে৷

সফটওয়্যারের অর্ডার এবং তা পাঠানোর জন্য ইন্টারনেট যেমন জরুরি তেমনি সহায়ক ইউটিউবসহ আরো কিছু ওয়েবসাইট৷ কারণ অনেক সময় নানা ধরণের ডিজাইন এবং চাহিদা ইউটিউবের মাধ্যমেই আসে৷ ফাহিম মাশরুর জানান কয়েক মাস আগে বাংলাদেশে ইউটিউব বন্ধ থাকায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এই শিল্পে৷ তাই এসব ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিলে তা ভেবেচিন্তে নেয়া দরকার বলে মনে করেন ফাহিম৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়