1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সমৃদ্ধি ও ভোটের আশায় শিশু হত্যা!

পরিবারের সমৃদ্ধি ও দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় শিশু হত্যার অভিযোগ উঠেছে উগান্ডায়৷ গত কয়েকদিনে সে দেশে ছয়টি শিশুর মৃতদেহ পাওয়া গেছে৷ মানবাধিকার কর্মীদের আশঙ্কা, নির্বাচনের কারণেই হত্যা করা হয়েছে ঐ শিশুদের৷

২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত উগান্ডার বিভিন্ন জেলা থেকে ছয়টি শিশুর মৃতদেহ বা দেহের কেটে ফেলা অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়েছে৷ সে দেশের শিশু অধিকার বিষয়ক সংস্থা কিয়ামপিসি চাইল্ড কেয়ার মিনিস্ট্রিজ (কেসিএম) মনে করে, ওই শিশুদের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে সামনে রেখে হত্যা করা হয়েছে৷ উগান্ডায় কিছু মানুষ এখনো ধর্মবিশ্বাসনির্ভর কুসংস্কার থেকে ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় শিশু উৎসর্গের ‘প্রথা' অনুসরণ করে৷ হত্যাকারীরা নির্বাচনে যাতে কাঙ্খিত ফলাফল পাওয়া যায় সেই আশায় শিশুদের কেটে তাদের রক্ত ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছিল বলে কেসিএম-এর অনুমান৷

অবশ্য এ সব শিশুর হত্যার সঙ্গে ভোটের কোনো সম্পর্ক বা যোগ আছে এমন সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি৷ তবে ২০১৫ সালে সারা দেশে যে ‘মানুষ বলি' বা মানুষের প্রাণ উৎসর্গের ঘটনা ঘটেছে তা সরকারিভাবেও স্বীকার করা হয়৷ সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে সাত শিশু এবং ছয়জন পূর্ণবয়স্কের প্রাণ উৎসর্গের ঘটনা ঘটেছে৷

২০১২ সালে নিজের নাতনিকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল উগান্ডার আদালত৷ হানিফা নায়ামুনজা নামের ওই ব্যক্তি পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় নাতনিকে হত্যা করেছিল৷

গত ফেব্রুয়ারিতে উগান্ডায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়৷ তবে সেই নির্বাচনেও দেশের রাজনীতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি৷ আবারও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ইয়োয়েরি মুসেভেনি৷ ৩০ বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন তিনি৷

এসিবি/ডিজি (রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়