1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সমালোচনার মুখে ইন্দোনেশীয় পুলিশের কুমারীত্ব পরীক্ষা

ইন্দোনেশিয়ায় যেসব তরুণী পুলিশে যোগ দেয়ার আবেদন করে, তাদের কুমারীত্ব পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়৷ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, এইচআরডাব্লিউ এর সমালোচনা করেছে৷ দেশটির পুলিশ অবশ্য এর পক্ষে সাফাই গেয়েছে৷

Indonesische Polizistinnen Archiv 2013

ফাইল ফটো

মানবাধিকার সংস্থাটি কয়েকজন ইন্দোনেশীয় তরুণীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছে, যাদের অনেককেই কুমারীত্ব পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে৷ তারা বলেছে, এই পরীক্ষার সময় নারী চিকিৎসকদের সামনে তাদের বিবস্ত্র হতে বাধ্য করা হয়৷ এরপর ‘দুই আঙুলের পরীক্ষা' চালিয়ে দেখা হয় তাদের সতীচ্ছদ অক্ষত আছে কিনা৷

এইচআরডাব্লিউ-কে সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় ১৯ বছরের এক তরুণী বলেন, ‘‘আমি এই খারাপ অভিজ্ঞতার কথা আর স্মরণ করতে চাই না৷ এটি ছিল অবমাননাকর৷ আমাদের কেন অপরিচিতদের সামনে বিবস্ত্র হতে হবে? এটি প্রয়োজনীয় নয়৷ এটি বন্ধ করা দরকার৷''

এইচআরডাব্লিউ-র নারী অধিকার বিষয়ক সহযোগী পরিচালক নিশা ভারিয়া কুমারীত্ব পরীক্ষাকে নারীদের জন্য‘বৈষম্যমূলক, ক্ষতিকর এবং অবমাননাকর' বলে মন্তব্য করেছেন৷ অবিলম্বে এই পরীক্ষা নেয়া বন্ধ করতে ইন্দোনেশীয় পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান তিনি৷

তবে পুলিশের মুখপাত্র রনি সম্পি বলেন, সব আবেদনকারীকে ‘সমন্বিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা'-র মধ্য দিয়ে যেতে হয়৷ এর মাধ্যমে নির্বাচকরা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করেন যে, আবেদনকারীরা যৌন রোগ থেকে মুক্ত৷ তিনি বলেন, কেউ এই পরীক্ষা পাস না করার মানে এই নয় যে, তাঁর আবেদন বাতিল হয়ে যায়৷

তবে পুলিশের ওয়েবসাইটের বরাত দিয়ে এইচআরডাব্লিউ বলছে, সেখানে নাকি স্পষ্ট লেখা আছে যে, নারী আবেদনকারীদের অবশ্যই কুমারী হতে হবে

পুলিশের হাইকমিশনার শ্রী রুমিয়াতি এইচআরডাব্লিউ-কে বলেন, ২০১০ সালে তিনি এই পরীক্ষা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন৷ কিন্তু তাঁর সহকর্মীরা সেই কথা শোনেননি৷ এরপর তিনি প্রশ্ন করেন, ‘‘আমরা কি এটা চাই যে যৌনকর্মীরা পুলিশে যোগ দিক?''

ইন্দোনেশিয়ায় মোট চার লক্ষ পুলিশ কর্মী রয়েছে৷ এর মধ্যে নারীর সংখ্যা মাত্র তিন শতাংশ৷ এবার এই সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন