1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সমাবেশের অনুমতি মেলেনি, তবুও যাবেন খালেদা

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া সমাবেশের অনুমতি না পেলেও নারায়ণগঞ্জে যাবেন বুধবার৷ তিনি অপহরণের পর খুন হওয়া সাতজনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করবেন৷

এদিকে, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাত খুনের সঙ্গে জড়িতদের কোনোরকম যোগাযোগ থাকার কথা অস্বীকার করেছেন৷

নারায়ণগঞ্জের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আগামী বুধবার খুন-অপহরণ-গুমের প্রতিবাদে সমাবেশ ডেকেছিল বিএনপি৷ আর সেই সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকার কথা ছিল বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার৷ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন সেই সমাবেশের অনুমতি দেয়নি৷ কিন্তু তাতেও হাল ছাড়েনি বিএনপি৷ আগামী বুধবার সমাবেশ না হলেও খালেদা জিয়া নারায়ণগঞ্জ যাবেন, বলে জানিয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার৷

তিনি জানান সমাবেশের অনুমতি পাওয়া না গেলেও বুধবার খালেদা জিয়ার নারায়ণগঞ্জ সফরের কর্মসূচি ঠিক আছে৷ খালেদা জিয়া নিহত কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন সরকারের বাসায় যাবেন৷ বাকিদের বাসায় যেতে না পারলেও পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাবেন৷ তৈমুর আলম খন্দকার সমাবেশের অনুমতি না দেয়ায় মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর সমালোচনা করে বলেন, তিনি আসলে আওয়ামী লীগের হয়েই কাজ করছেন৷ প্রতিবাদের সুযোগও দিতে চান না৷

তবে সেলিনা হায়াৎ আইভী জানান, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিএনপিকে ঐ সড়কে সমাবেশের অনুমতি দেয়া যাচ্ছে না৷ স্থানীয় সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার নারায়ণগঞ্জ সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিতে পারে৷

দায় অস্বীকার করে মন্ত্রীর বিবৃতি

ছয় কোটি টাকার বিনিময়ে নারায়ণগঞ্জে সাতজনকে অপহরণ এবং হত্যার অভিযোগ উঠেছে যে তিনজন র‌্যাব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাঁদের মধ্যে র‌্যাব-১১'র অধিনায়ক লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার জামাতা৷ আর অর্থের লেনদেনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আলোচিত হচ্ছে মন্ত্রীর ছেলে দিপু চৌধুরীর নাম৷ নিহত নজরুলের শ্বশুর শহিদুল ইসলামও ঐ তিনজন র‌্যাব কর্মকর্তার সঙ্গে প্রতিপক্ষের যোগাযোগকারী হিসেবে মন্ত্রী পুত্রের নাম বলেছেন৷

তবে শুক্রবার ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া দাবি করেছেন, ‘‘এই ঘটনার সঙ্গে আমার পরিবারের কোনো সদস্য কোনোভাবে জড়িত নন৷ সংবাদ মাধ্যমে আমার পরিবারকে জড়িয়ে যে খবর প্রকাশ হচ্ছে তা আমাকে ভীষণভাবে মর্মাহত করেছে৷ আমার পরিবারের সম্মানহানি করেছে৷''

মায়া বলেন, ‘‘নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার তদন্ত কমিটি কাজ করছে৷ তদন্তকাজ যাতে কোনোভাবেই প্রভাবিত না হয়, সেজন্য আমি কোনো রকম মন্তব্য করা থেকে বিরত আছি৷ তদন্তে নিশ্চয়ই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে৷'' ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘‘নিহতদের পরিবারের মতো আমিও প্রকৃত অপরাধীদের আইনানুগ শাস্তি প্রত্যাশা করছি৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়