1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

সমাজসেবী আন্না হাজারের আমরণ অনশনের দ্বিতীয় দিন

জনজীবন থেকে দুর্নীতি দূর করার লক্ষ্যে লোকপাল বিলে সুশীল সমাজের পঞ্চাশ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব থাকার দাবিতে বিশিষ্ট সমাজসেবী আন্না হাজারের আমরণ অনশনের আজ দ্বিতীয় দিন৷

default

৭২ বছর বয়সী সমাজসেবী ও গান্ধীবাদী আন্না হাজারে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া আইন প্রণয়নের দাবিতে নতুনদিল্লিতে সংসদভবনের অদূরে গতকাল থেকে শুরু করেছেন আমরণ অনশন৷এই আন্দোলনের প্রতি ক্রমশই বাড়ছে জন সমর্থন৷ বিশেষ করে এগিয়ে এসেছে যুব সমাজ৷ সেটা দেখে আজ অনশন মঞ্চ থেকে আন্না হাজারে বলেন, যুবশক্তিকে পাশে পাওয়ায় এই আন্দোলন পেয়েছে এক নতুন মাত্রা৷ এটা কার্যত দ্বিতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধ৷ উল্লেখ্য, আন্না হাজারের সঙ্গে একাত্মতা জ্ঞাপনে তাঁর সঙ্গে অনশনে বসেছেন আরো দেড়শো জন সমর্থক৷

দেশের ৪০০টি শহরে এমন কী বিদেশেও শুরু হয়েছে অনুরূপ আন্দোলন৷ মধ্যপ্রদেশের ভোপাল থেকে হাজার হাজার আন্দোলনকারী সংসদে জন-লোকপাল বিল পাশ করানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং এবং কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে পোষ্টকার্ডে চিঠি লিখে পাঠিয়েছে৷ লক্ষ্ণৌ-এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সমাজকর্মী মেধা পাটকর৷ মুম্বাই-এর আজাদ ময়দানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযানে সামিল হয় হাজার হাজার মানুষ৷

আন্না হাজারে এই আন্দোলন অ-রাজনৈতিক বলা সত্বেও বিজেপি ও জেডি-ইউ নেতারা তাঁর প্রতি সমর্থন জানাতে আন্না হাজারের অনশন মঞ্চে বসতে চাইলে তিনি রাজি হননি৷ বলেছেন রাজনীতিকদের বিশ্বাস করা কঠিন৷ দেশে দুর্নীতি যেভাবে বাড়ছে তা রোধ করতে কার্যকর কোন ব্যবস্থা এপর্যন্ত কেউ নেয়নি৷ কংগ্রেসের সমালোচনা করে আন্না হাজারে বলেন, জন- লোকপাল বিল সম্পর্কে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করছে কংগ্রেস৷ ঐ বিল পাশ হলে রাজনীতিক,আমলা, সাংসদ সবাই এর আওতায় আসবে, যেটা সরকারের রচিত লোকপাল বিলে নেই৷

কংগ্রেস পার্টির মুখপাত্র মনীশ তেওয়ারির মতে, সুশীল সমাজের সুপারিশ প্রস্তাবিত বিলে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ আছে৷ সেক্ষেত্রে এই অনশন অহেতুক৷ অপর কংগ্রেস নেত্রী জয়ন্তী নটরাজন বলেন, লোকপাল বিল নিয়ে নানা মত আছে৷ ঐকমত্যে আসতে ব্যাপক আলোচনা দরকার৷ তারজন্য যে সময় দরকার, তার সীমা বেঁধে দেয়া যায় না৷ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত সাব-কমিটি যখন এই ইস্যু খতিয়ে দেখছেন, তখন এই অনশনের দরকার ছিল না৷

প্রতিবেদন: অনিল চট্টোপাধ্যায়, নতুনদিল্লি

সম্পাদনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী