1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা গড়বে ন্যাটো

আগামী দশ বছরের জন্য কৌশলপত্র অনুমোদন করলো মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটো৷ লিসবনে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো নতুন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷

default

ন্যাটো সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ

নতুন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

ন্যাটোর সর্বশেষ কৌশলপত্র নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৯৯৯ সালে৷ এরপর গত ১১ বছরের বেশিরভাগ সময় এই জোটের দেশগুলো ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে৷ এই সময়ের মধ্যে নিরাপত্তা ক্ষেত্রেও অনেক পরিবর্তন এসেছে৷ সন্ত্রাস, সাইবার অপরাধ ও পাইরেসির মত বিষয় যুক্ত হয়েছে৷ ন্যাটোর নতুন কৌশলপত্রে এসব বিষয়কে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে এবং এগুলো প্রতিরোধে একটি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে৷ তবে এর মধ্যে যে বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য তা হলো নতুন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা৷ ন্যাটোর দেশগুলো এই প্রথমবারের মত এই বিষয়টিতে একমত হয়েছে৷ ফলে কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপের অনেক দেশই একটি সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে থাকবে৷ কিন্তু এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেন? ন্যাটো মহাসচিব আন্ডার্স ফগ রাসমুসেন এই ব্যাপারে বলেন, ‘‘ঘটনা হচ্ছে বিশ্বের প্রায় ত্রিশটিরও বেশি দেশের হাতে এখন ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি রয়েছে৷ তাদের কেউ কেউ অ্যাটলান্টিকের পাড়ের ইউরোপের দেশগুলোতে আঘাত হানতে সক্ষম৷ এই হুমকি ঠেকাতেই আমরা এই ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাচ্ছি৷''

NATO Generalsekretär Anders Fogh Rasmussen in Lissabon

ন্যাটো মহাসচিব আন্ডের্স ফগ রাসমুসেন

রাশিয়ার অংশগ্রহণ থাকছে কি?

এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় রাশিয়া থাকছে কিনা সেটি একটি বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে৷ তাই নয় কি? আজ শনিবার ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দেবেন রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ৷ সুতরাং এই বিষয়ে একটি বড় অগ্রগতি আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা৷ ন্যাটো মহাসচিব রাসমুসেন বলেছেন, ‘‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার জন্য আমরা রাশিয়ার সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক শুরু করবো৷ এর পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে জোটের শক্তি বৃদ্ধির জন্য আরও অর্থ বিনিয়োগ করা হবে৷''

আফগানিস্তান প্রসঙ্গ

এদিকে ন্যাটো সম্মেলনে স্বাভাবিকভাবেই বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে আফগানিস্তান৷ আজ সম্মেলনের আলোচনা থাকবে মূলত আফগানিস্তানের দিকে৷ তবে গতকালই প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাঁর বক্তব্যে আফগানিস্তান প্রসঙ্গ তুলে এনেছেন৷ তিনি কি বলেছেন সেখানে? তিনি জানিয়েছেন আগামী বছর থেকে আফগানিস্তানে অভিযানের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে৷ কারণ আগামী বছর মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরুর কথা, এর পাশাপশি আফগান সেনারা নিরাপত্তার দায়িত্ব তুলে নিতে শুরু করবে৷ সেই পরিপ্রেক্ষিতে ন্যাটো এবং আইসাফ বাহিনীর একসঙ্গে কাজ করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ওবামা৷

প্রতিবেদন: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: সাগর সরওয়ার

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়