1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

সমকামী বিরোধী আইনের প্রতিবাদে সরব বিনোদন দুনিয়া

হলিউড থেকে শুরু করে ব্রডওয়ে অবধি মার্কিন বিনোদন শিল্প রাশিয়ার একটি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হয়ে উঠেছে৷ এ জন্য জনসচেতনতা সৃষ্টিতে তারা তাদের তারকা খ্যাতি আর অর্থ – দুটোই ব্যয় করছে৷

রাশিয়ায় সম্প্রতি সমকামী বিরোধী একটি আইন চালু হয়েছে৷ গত জুনে সে দেশের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন স্বাক্ষরিত এই আইন অনুযায়ী, কারো বিরুদ্ধে সমকামিতার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে অর্থদণ্ড এবং পনেরো দিন পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া যাবে৷ সমকামী প্যারেডের আয়োজন করা হলে জরিমানা করা হবে আয়োজকদের৷ আর বিদেশিদের রাশিয়া ত্যাগে বাধ্য করা যাবে৷

চলচ্চিত্র অভিনেতা হার্ভে ফিয়ারস্টাইন, ব্রিটিশ লেখক-অভিনেতা স্টিফেন ফ্রাই এবং ‘স্টার ট্রেক' খ্যাত অভিনেতা জর্জ টাকেই জনসমক্ষে রাশিয়ার নতুন আইনের সমালোচনা করেছেন৷ বিষয়টি এখন আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য শীতকালীন অলিম্পিকের উপরও প্রভাব ফেলছে৷ রাশিয়ার উপর চাপ সৃষ্টিতে এই অলিম্পিক বর্জনের বিষয়েও আন্তর্জাতিক প্রচারণা চালাচ্ছে বিভিন্ন গোষ্ঠী৷

Bildergalerie Christopher Street Day Köln 2013 CSD Cologne Pride

রাশিয়ায় সম্প্রতি সমকামী বিরোধী একটি আইন চালু হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এবং সাবেক অলিম্পিক অ্যাথলিট গ্রেগ লুইগেনিস-রাও সমকামী বিরোধী এই আইনের নিন্দা জানিয়েছেন৷ তবে এসব নিন্দা, প্রতিবাদ পুটিনের কানে ঢুকছে কিনা জানা যায়নি৷

এদিকে, মার্কিন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার গোপন তথ্য ফাঁস করে আলোচিত এডওয়ার্ড স্নোডেন-কে আশ্রয় দেয়া নিয়েও বিপাকে রয়েছে রাশিয়া৷ বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সেদেশের মধ্যকার সম্পর্কে চিড় ধরেছে স্নোডেনকে কেন্দ্র করে৷ মোটের উপর সিরিয়াকে সমর্থনের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে৷ সবমিলিয়ে তাই চাপ সৃষ্টি হচ্ছে শীতকালীন অলিম্পিকের উপর৷

রাশিয়ার জন্য আশার কথা হচ্ছে, ওবামা এবং ক্যামেরন দু'জনই অলিম্পিক বয়কটের বিষয়টি নাকোচ করে দিয়েছেন৷ এই আসরে অংশ নিতে আগ্রহী অ্যাথলিটদের শাস্তি দিতে চান না তাঁরা৷ তাছাড়া ১৯৮০ সালে মস্কো অলিম্পিক বয়কট করেছিল মার্কিন নেতৃত্বাধীন একটি গ্রুপ৷ ফলে ১৯৮৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক বয়কট করে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন৷ এসব বয়কটের কারণে কোনোপক্ষেরই বিশেষ লাভ হয়নি৷

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) মাধ্যমেও অবশ্য রাশিয়ার উপর চাপ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে পশ্চিমা সমাজ৷ রাশিয়া যাতে অলিম্পিকের বিধিনিষেধ মানতে বাধ্য হয় সেজন্য আইওসিকে কঠোর হতে বলা হচ্ছে৷ আর তাতে যদি কাজ না হয়, তাহলে শীতকালীন অলিম্পিক রাশিয়ার সোচি থেকে সরিয়ে অন্য কোথাও নেওয়ার বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে৷

সব মিলিয়ে, সমকামী ইস্যুতে বেশ চাপে আছে রাশিয়া৷ এখন দেখা যাক এই চাপ কীভাবে মোকাবিলা করেন পুটিন৷

এআই / এসবি (এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন