1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

সমকামীদের পক্ষে ইউনূসের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ধর্মীয় নেতারা

বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশি মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে এবার ক্ষেপেছে দেশের ধর্মীয় নেতারা৷ গত বছর সমকামী অধিকারের পক্ষে তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে সম্প্রতি বিক্ষোভ করেছেন তাঁরা৷

দেশের ক্ষমতাসীন দলের চাপে এমনিতেই বিব্রত ড. মুহাম্মদ ইউনূস৷ এবার ধর্মীয় নেতাদেরও চক্ষুশূলে পরিণত হলেন তিনি৷সমকামী অধিকারের পক্ষে তাঁর কিছু মন্তব্যের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিক্ষোভও হয়েছে৷ তবে এই মন্তব্য এখনকার নয়, কথাগুলো তিনি বলেছিলেন ২০১২ সালের এপ্রিলে, উগান্ডায়৷

দেশের কয়েকটি শহরের ইমামরা শান্তিপূর্ণ এই প্রতিবাদে অংশ নেন৷ তবে বিক্ষোভ মিছিলগুলো ছিল নিতান্তই ছোট এবং তেমন জনসমর্থন দেখা যায়নি৷ কুমিল্লার একটি বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয়া ইমান মাওলানা মোহাম্মদ নোমান বার্তা সংস্থা এএফপি-কে বলেছেন, সমকামীদের পক্ষ সমর্থন করে ইউনূস নাস্তিক হয়েছেন৷

স্থানীয় পুলিশ কমিশনার মহিউদ্দীন মোহাম্মদ এএফপি-কে জানিয়েছেন, কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত বেশ কিছু মিছিল থেকে মুহাম্মদ ইউনূসের ফাঁসির দাবিও জানানো হয়৷ ঢাকার জাতীয় মসজিদ কমিটির সচিব মনিরুজ্জামান রাব্বানী বলেছেন, শতাধিক শহরে আয়োজকরা ৬ লাখ লিফলেট বিলি করেছেন৷

Muhammad Yunus

এইসব লিফলেটে লেখা ছিল ইউনূসের বক্তব্য৷ যেখানে তিনি সমকামীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা এবং ভেদাভেদের বিরোধীতা করেছেন৷ রাব্বানী জানান, দেশের প্রায় ৫৮০টি স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে৷ এমনকি শুক্রবার জুমার নামাজের সময় আয়োজকরা একশ মসজিদে লিফলেট বিলি করার পরিকল্পনা করছেন বলে জানালেন তিনি৷ রাব্বানী আরো বললেন, ইসলাম এবং তাদের পরিবার ও সমাজকে রক্ষার জন্যই বিক্ষোবকারীরা এতে অংশ নিয়েছে৷ তবে একজন কর্মকর্তা এএফপি-কে জানিয়েছেন যে, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এই আয়োজনে অর্থায়ন করেছে৷

ফাউন্ডেশনের প্রধান শামীম আফজাল অবশ্য এই কথা অস্বীকার করে বলেছেন, এই আয়োজনে ফাউন্ডেশনের সমর্থন নেই৷

বাংলাদেশে সমকামিতা শাস্তিযোগ্য অপরাধ, যা প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে৷

ইউনূস বর্তামানে দেশের বাইরে আছেন৷ গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ ইউনূসকে ২০১১ সালে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরিয়ে দেয়া হয়৷ শুধু তা ই নয়, এ বছর তাঁর বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ এনেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড৷

এপিবি/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন