সব বাধা পেরিয়ে ফুটসালে লেবাননের মেয়েরা | খেলাধুলা | DW | 08.12.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

সব বাধা পেরিয়ে ফুটসালে লেবাননের মেয়েরা

একটা বড় ‘যুদ্ধ’ জয় করেছেন লেবাননের মেয়েরা৷ ঘরে-বাইরে সব জায়গাতেই ছিল বাধা৷ ফুটসাল খেলতে চান, কিন্তু পুরুষের তাতে আপত্তি৷ এই আপত্তি আর নিষেধাজ্ঞাকে জয় করে অবশেষে ফুটসাল লিগ খেলতে শুরু করেছেন লেবাননের মেয়েরা৷

default

ছবিতে ইরানের নারীদের ফুটসাল খেলতে দেখা যাচ্ছে

গত সপ্তাহেই লেবাননে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে মেয়েদের ফুটসাল লিগ৷ ফুটবলে প্রতি দলে থাকে ১১ জন করে খেলোয়াড়, ফুটসালে থাকে ৫ জন৷ মজার ব্যাপার, লেবাননে মেয়েদের ফুটবল লিগ হচ্ছে সাত বছর ধরে৷ কিন্তু ফুটসাল খেলতে চেয়ে আয়া চিরির মতো অনেক মেয়েই পরিবার আর সমাজ থেকে পাচ্ছিলেন বাধা৷ মেয়ে হয়ে খেলতে নামাই যেখানে কঠিন, নতুন খেলার লিগ চালু করা তো সেখানে অসম্ভব৷ সেরকমই মনে হয়েছিল অনেকের৷ তাই যেসব মেয়ের বাবা-মা, ভাই-বোন ঘরে বেশ আধুনিক, বাইরে মেয়েরা ফুটসাল খেলবে- এতে তাঁদেরও ছিল ঘোর আপত্তি৷

২৭ বছর বয়সি চিরি পরিবারের সবাইকে বিষয়টি মানিয়েছেন কৌশলে৷ এমবিএ-র ছাত্রী হিসেবে লেখাপড়ার বেশ চাপ থাকে তাঁর৷ তার ওপর চাকরিও করেন বৈরুতের একটি স্কিন কেয়ার সেন্টারে৷ পরিবারের সদস্যদের বললেন, খেলাধুলা করলে লেখাপড়ার ক্ষতি যে হয় না তা আরো বেশি করে লেখাপড়া করে দেখিয়ে দেবেন৷ পরিবারের সদস্যরা মানলেন৷ চিরি পেয়ে গেলেন নিয়মিত ফুটসাল খেলার সুযোগ৷

গত সপ্তাহ থেকে লেবাননে মেয়েদের যে ফুটসাল লিগ শুরু হয়েছে সেখানে স্টারস অ্যাকাডেমি ফর স্পোর্টস (এসএএস) নামের একটি দলের হয়ে খেলছেন চিরি৷ এসএএস-এর দলনেত্রীও তিনি৷ দলে আছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা মেয়েরা৷ খেলছেন আর দিন বদলের স্বপ্ন দেখছেন তাঁরা৷ ফিলিস্তিনের জেরিকো থেকে এসেছেন ২০ বছর বয়সি আয়া আল খাতিব৷ তাঁর কাছে, ‘ফুটসাল জীবনেরই অংশ৷'

৩০ বছর বয়সি রানিয়া চেহায়েব জানালেন ফুটসাল খেলার ব্যাপারে তাঁর স্বামী খুব উৎসাহ দেন তাঁকে৷

এসএএস-এর কোচ ওয়ায়েল ঘারজেদ্দিন অবশ্য এ যুগে মেয়েদের পরিবার থেকে ফুটসাল খেলায় সহযোগিতা পাবার বিষয়টিকে খুব স্বাভাবিক দৃষ্টিতেই দেখছেন৷ তাঁর কথায়, ‘‘এক সময় কিছু চাকরি শুধু ছেলেদের জন্যই উন্মুক্ত ছিল৷ এখন মেয়েরাও সেরকম চাকরি করছে৷ অনেক কিছুই বদলেছে এখন৷ আমরা তো এখন একুশ শতকে আছি!''

এসিবি/জেডএইচ (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন