1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

সবাই প্রস্তুত, বাকি কেবল খেলাটাই

সাবেক বিশ্বকাপ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া এবারের বিশ্বকাপে ফাইনাল খেলা পর্যন্ত যেতে না পারেনি তো কি হয়েছে? অস্ট্রেলিয়া দলের পরাজয় অন্ততঃ একজন অস্ট্রেলিয়ার জন্য সুখবর বয়ে এনেছে৷ আর তিনি আম্পায়ার সাইমন টাফেল৷

default

১৯৯৯, ২০০৩ এবং ২০০৭ সালে পরপর তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয় অস্ট্রেলিয়া৷ যে কারণে বিশ্বনন্দিত আম্পায়ার হওয়া সত্ত্বেও ফাইনাল খেলাতে মাঠে দাঁড়াতে পারেননি চল্লিশ বছর বয়সি টাফেল৷ যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল – আইসিসি'র স্বীকৃতিপ্রাপ্ত আম্পায়ারের তালিকায় ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছরই ছিল তাঁর নাম৷

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান জেমস সাদারল্যান্ড বলেন, সিমন টাফেলের বিশ্বকাপ ফাইনালে আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া দলের সাফল্যের কারণে এই দায়িত্ব পালন করা তাঁর হয়ে উঠেনি৷ কিন্তু এবার সেই সুবর্ণ সুযোগটি তিনি পাচ্ছেন৷

এদিকে ভারতের প্রায় এক বিলিয়ন মানুষের হৃদয়ের কথা আজ এক৷ তাঁদের দেশের দ্বিতীয় বিশ্বকাপটি আসবে শচীন টেন্ডুলকরের হাত ধরেই৷ আগামী মাসে ৩৮ বছর বয়স হতে যাচ্ছে ভারতীয় এই ক্রিকেট তারকার৷ কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কেউ পৌঁছতে পারেননি তাঁর স্থানে৷ ৯৬ এর বিশ্বকাপে নিজ দেশের মাটিতে ভারতকে সেমিফাইনালে এবং ২০০৩ এর বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকাতে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ভারতকে ফাইনাল খেলা পর্যন্ত নিয়ে যেতে সাহায্য করেছিল শচীন৷ কপিল দেবের নেতৃত্বে ১৯৮৩ সালে ভারত যখন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় তখন শচীনের বয়স ছিল দশ বছর৷ আর বর্তমান ভারত দলে এমন পাঁচজন খেলোয়াড় রয়েছেন যাদের তখন জন্মই হয়নি৷

অন্যদিকে শ্রীলঙ্কাও মুখিয়ে রয়েছে দ্বিতীয়াবারের মতো বিশ্বকাপকে নিজ ঘরে নিয়ে যেতে৷ যদিও মুত্তিয়া মুরলীথরণ এবং অ্যাঞ্জেলা ম্যাথুসের চোট কিছুটা ভাবিয়ে তুলেছে এই দলকে৷ তবে কোচ ট্রেভরবেলিস এখনও ফাইনালে মুরালিথরণের খেলার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী৷ তারপরও সতর্কতা হিসেবে দলে ডাকা হচ্ছে বিশ্বকাপে স্ট্যান্ডবাই থাকা চামিন্দা ভাস ও সুরাজ রনদিভ কে৷ ১৯৯৬ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অর্জুন রানাতুঙ্গার নেতৃত্বে প্রথম বিশ্বকাপ জিতে শ্রীলঙ্কা৷

প্রতিবেদন: জান্নাতুল ফেরদৌস

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন