1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সবচেয়ে শেষে মৃত্যু হবে আশার, স্বপ্নের

প্যারিসে চলছে জলবায়ু সম্মেলন৷ বিশ্ব নেতারা সেখানে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বিরুদ্ধে নানা ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলছেন৷ কিন্তু বিশ্বকে বাঁচাতে প্যারিসের এ সম্মেলন কি কার্যকর হবে? ইয়েন্স টুরাউ মনে করেন, এই চুক্তি অলিক স্বপ্ন মাত্র৷

প্রথমেই একটা সুখবর৷ প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনে উপস্থিত ১৫০টি দেশের রাষ্ট্র এবং সরকার প্রধানদের সকলেই একটি বিষয়ে একমত – জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সকলকে একজোটে এগিয়ে আসতে হবে৷ তা না হলে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের মাত্রা, তথা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ঠেকানো কখনোই সম্ভব নয়৷ অবশেষে আজ সকলেই একমত যে জলবায়ুর পরিবর্তন বর্তমানকালের এক স্বীকৃত সত্য, বাস্তব ঘটনা৷ তাপমাত্রা বাড়ছে৷

ঘটছে পৃথিবী নামের গ্রহটির উষ্ণায়ন৷ আর উষ্ণতা বাড়ার কারণে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের হারও বাড়ছে এবং ভবিষ্যতে আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ তাই যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন৷

কিন্তু বিশ্বের উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশগুলোর মধ্যে একটি কার্যকর চুক্তি আজও অলিক এক কল্পনা মাত্র৷ কানকুন থেকে কোপেনহেগেন – শত আলাপ-আলোচনার পরও একটি স্বতঃসিদ্ধ চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি বিশ্ব৷ এমনকি হালে প্যারিসেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং– উভয়ে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার কথা বলে যৌথ নেতৃত্বের দাবি তুলেছেন, ঠিকই৷ কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতিটা ততটা আশাজনক মনে হচ্ছে না৷

এই যেমন, বিশ্বের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের ৩০ শতাংশ আসে চীন থেকে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ১৬ শতাংশ৷

Thurau Jens Kommentarbild App

ডয়চে ভেলের ইয়েন্স টুরাউ

গতবছরই ওবামা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, মার্কিন কার্বন নির্গমন আগামী দশ বছরের মধ্যে ২৮ শতাংশ কমানো হবে৷ অন্যদিকে শি ঘোষণা করেন যে, চীন ২০৩০ সালে অথবা তার আগেই কার্বন নির্গমন সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেবে৷ কিন্তু সেই কর্মকাণ্ডের কতটা পথ তারা পার হয়েছে? তাছাড়া এর ফলে বিশ্বের ছোট দ্বীপরাজ্যগুলির ভবিষ্যৎ যে খুব উজ্জ্বল হয়ে উঠবে, এমনটাও নয়৷ স্বাভাবিকভাবেই যুক্তরাষ্ট্র বা চীনের মতো ‘বড়' দেশগুলোর ভারত-বাংলাদেশের মতো ‘ছোট' দেশগুলো নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই৷ কাজেই ‘ছোটদের' পক্ষে বর্তমান ও আগামী পরিস্থিতি মেনে নিয়ে সেই অনুযায়ী পেশা ও জীবিকা পরিবর্তন করাই হবে হয়ত সেরা পন্থা৷ তাই একটি সার্বিক জলবায়ু চুক্তি আজ শুধুই যেন অলিক স্বপ্ন৷ আর সবচেয়ে শেষে মৃত্যু হবে সেই আশার, সেই স্বপ্নের৷

বন্ধু, আপনি কি ইয়েন্স টুরাউ-এর সঙ্গে একমত? জানান নীচে, মতামতের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়