1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

সবচেয়ে ঠান্ডা আর গরমের বছর ২০১০

অবাক হলেন? ওয়ার্লড্ মেটেওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন অর্থাৎ বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা কিন্তু সেকথাই বলছে৷ আরো শুনতে চান ? তাদের কথায়, ২০১০ সালের শীতকালই নাকি সবচেয়ে বেশি ঠান্ডা হবে৷

default

প্রচন্ড গরমে এভাবেই সূর্যস্থান করেছেন অনেকে (ফাইল ফটো)

জার্মানিতে গত কয়েকদিন সবার মুখে একটিই প্রশ্ন শোনা গেছে,‘আচ্ছা আজকে কি বরফ পড়বে? আজ রাতে?' ঠান্ডা পড়েছে ঠিকই৷ একটু যেন আগেভাগেই৷ তবে একেবারে হাড়কাঁপানো নয় এখনো৷ তাতেই এই অবস্থা৷ তবে শীতকালের কথা বলার আগে চলুন নেওয়া যাক একটু উষ্ণ ছোঁয়া৷

এ বছরের গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ছিল গত ১৬০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি৷ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৮৫০ সাল থেকে তাপমাত্রার দিকে নজর রাখা হচ্ছে৷ এ মাসেই চলছে মেক্সিকোর কানকুনে আবহাওয়া ও পরিবেশ নিয়ে জাতিসংঘের পরিবেশ সম্মেলন৷ তার ঠিক আগে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন এ বছর গ্রীষ্মকালের উচ্চ তাপমাত্রার কথা উল্লেখ করা হয়৷

Flash-Galerie Winter Schnee in Deutschland

তুষারপাতে এই দশা

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মহাসচিব মাইকেল জারো জানান, বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে উষ্ণতার দিকে৷ তিনি আরো বলেন, ২০১০ সালের গ্রীষ্মকালের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল৷ ১৯৯৮ এবং ২০০৫ সালের গ্রীষ্মকালের সঙ্গে তুলনা করলে আমরা তাই দেখবো৷ বিশ্বতাপমাত্রার দিকে নজর দিলে আমরা দেখবো যে, তাপমাত্রা ২০১০ সালে বেড়েছিল শূন্য দশমিক পাঁচ ডিগ্রি৷ ১৯৬১ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বছরে গড় তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷

এ কারণেই জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে যে ২০১০ সালের গ্রীষ্মকালেই হয়তো সবচেয়ে বেশি গরম পড়েছে৷ তবে ২০১১ সালের শুরুতে প্রকাশ করা হবে একটি প্রতিবেদন৷ সেখানেই স্পষ্টভাবে সবকিছু তথ্য তুলে ধরা হবে৷

শুধু গ্রীষ্মকাল নয়, ২০১০ সালের শীতকালে ঠান্ডা পড়বে সবচেয়ে বেশি৷ ইতিমধ্যেই জার্মানির মানুষ কিছুটা হলেও তা টের পেয়েছে৷ ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বার্লিনের মানুষ ঘুমাতে গিয়েছিল নিশ্চিন্ত মনে৷ ঘুম থেকে উঠে দেখে ৯ সেন্টিমিটার তুষার জমে আছে বাড়ির সামনে, রাস্তায়৷ সারা দেশে তাপমাত্রা নেমে আসে মাইনাস ছয়েরও নীচে৷

গ্রীষ্মকাল এবং শীতকাল দুদিকেই তাপমাত্রা তীব্রতর হচ্ছে৷ আবহাওয়া এবং পরিবেশের পরিবর্তনের জন্যই তা হচ্ছে বলে জানান মাইকেল জারো৷ কানকুন সম্মেলনের দিকে আঙুল তুলে তিনি বলেন, যদি এখনই কোন ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয় তাহলে তাপমাত্রা বাড়তেই থাকবে৷

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার

সম্পাদনা: আবদুল্লাহ আল-ফারূক