1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

সন্ত্রাস, যুদ্ধ নির্মূল হোক - নতুন বছরে বহু জার্মানের প্রত্যাশা

যুদ্ধ নয়, সন্ত্রাস নয়৷ প্রত্যেকে শান্তি চায়৷ জাতিধর্মবর্ণ নির্বিশেষে দেশ সমাজ সংস্কৃতিতে সহাবস্থান চায়৷ চাওয়ার মূলে যে বোধ, ওই বোধই মানবিকতা৷ বিশ্বজনীনতা৷ বিশ্বজুড়ে আজ মানুষের প্রত্যাশা সন্ত্রাস, যুদ্ধ নির্মূল হোক৷

default

রায়গুণাকরের ঈশ্বরীপাটনী চেয়েছিলেন, আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে৷ এরকম চাওয়া বাংলার পিতামাতারও, পয়লা বৈশাখে, নববর্ষে৷ গ্লোবাল ভিলেজে এই চাওয়া, এই আশার রকমফের ইদানীং৷ মানুষ চায় সন্ত্রাস দমন৷ চায় যুদ্ধের ইতি৷ চায় বিশ্বব্যাপী শান্তি৷ পারস্পরিক সৌহার্দ্য৷ জাতিধর্মবর্ণ নির্বিশেষে একাত্মতা৷ সহাবস্থান৷

২০১১ সনের শুরুতে মানুষের মনে এই প্রত্যাশাই জাগরুক৷ কেবল নিজেকে নিয়ে, পরিবারকে নিয়েই নয়, সমাজ-রাষ্ট্র এমন কী বিশ্বপরিমন্ডল নিয়েও আশাবাদী৷ পরমাণু অস্ত্র রোধে, যুদ্ধার্থ অস্ত্ররোধে প্রত্যেকে সরব৷ তুরস্কের একজন, তিনি মুসলিম, বার্লিনের বাসিন্দা, ছোটখাটো ব্যবসায়ী, বলেন, আমি শান্তিবাদী৷ শান্তি চাই৷ কোথাও হানাহানি চাই না৷ ধর্মের নামে সন্ত্রাস বন্ধ হোক৷ শিশু থেকে শুরু করে নিরীহ সাধারণ মানুষ হত্যাকারী সন্ত্রাসীদের নির্মূল চাই৷

বার্লিনের একজন বয়স্কা বলেন, কোনো সন্ত্রাস নয়, দুনিয়ার কোথায়ও নয়৷ সন্ত্রাস বন্ধে আমরা সোচ্চার৷ আরেকজন বলেন, সন্ত্রাসরোধে ঐক্যবদ্ধ্য হতে হবে৷ জাতিধর্মবর্ণ নির্বিশেষ যদি আমরা একাত্ম হই, সন্ত্রাস নিশ্চিহ্ন করা অতীব সহজ৷ এখন যা জরুরি, তা হলো আমাদের মধ্যে মানবিক বন্ধন রচনা৷ জাতিধর্মবর্ণসংস্কৃতি ব্যতিরেকে৷ সব মানুষই শান্তি চায়৷ সন্ত্রাস দমন চায়৷ এই চাওয়া আমার৷ এই চাওয়া সকলের৷ এই চাওয়া, এই প্রত্যাশা ২০১১-র নববর্ষের লগ্নে জার্মানির অনেকের৷

প্রতিবেদন: দাউদ হায়দার, বার্লিন

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়