1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সন্তানের অভিভাবকত্ব পেলেন অবিবাহিত মা

মামলা ভারতের সুপ্রিম কোর্ট অবধি উঠেছিল৷ পাঁচ বছরের ছেলেটির বাবা অপর এক মহিলার সঙ্গে বিবাহিত৷ প্রশ্ন ছিল: বাবার জ্ঞান ও অনুমতি ছাড়া মা সন্তানের অভিভাবকত্ব পেতে পারেন কিনা৷

মহিলা খ্রিষ্টান, অবিবাহিত এবং একটি পাঁচ বছরের সন্তানের মা৷ তিনি চেয়েছিলেন, তাঁর ছেলেকে তাঁর যাবতীয় বিনিয়োগের একমাত্র উত্তরাধিকারী করতে – এবং সেই কারণে প্রথমে গার্ডিয়ান কোর্টে এবং পরে হাইকোর্টে সন্তানের একক ‘কাস্টডি' বা রক্ষণাবেক্ষণের আবেদন করেছিলেন৷ এমনকি ছেলেটির বাস্তবিক পিতার নাম প্রকাশেও তাঁর আপত্তি ছিল৷

উভয় আদালতে তাঁর আবেদন প্রত্যাখ্যান করার পর মামলা যায় সুপ্রিম কোর্টে৷ সেখানে দুই বিচারক, বিক্রমজিৎ সেন এবং অভয় মনোহর সাপ্রু-র বেঞ্চ রায় দিয়েছেন যে, সন্তানের পিতাকে কোনোরকম নোটিস ছাড়াই মাকে অভিভাবক বলে ঘোষণা করা চলতে পারে৷ বিচারকরা বলেছেন, তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিভাবকত্ব আইন বিবেচনা করে ‘‘একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের কল্যাণ''-কে একজন ‘‘উদাসীন পিতা''-র অধিকারের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন৷ সবচেয়ে বড় কথা, সুপ্রিম কোর্ট ‘‘একক জননী অথবা অবিবাহিত মা''-কে শুধুমাত্র ‘এফিডেভিট'-এর ভিত্তিতে তাঁর সন্তানের বার্থ সার্টিফিকেট ইস্যু করার নির্দেশ দিয়েছেন কর্তৃপক্ষদের৷

‘‘আজকের সমাজে, যেখানে ক্রমেই আরো বেশি মহিলা তাদের সন্তানদের একাই মানুষ করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তেমন একটি সমাজে আমরা একটি কর্মক্ষম পারিবারিক নিউক্লিয়াসের উপর একজন অনিচ্ছুক ও উদাসীন পিতাকে চাপিয়ে দেওয়ার কোনো অর্থ দেখি না'' – বলেছেন দুই বিচারকের বেঞ্চ৷ তবে শিশুটির তার নিজের জনকের নাম ও পরিচয় জানার অধিকারকে পূর্ণ স্বীকৃতি দিয়েছেন আদালত: মার কাছ থেকে বাবার নামধাম জেনে তা লিপিবদ্ধ করে রাখা হয়েছে, যা-তে প্রয়োজনে শিলমোহর করা খুলে খামটি থেকে সে' তথ্য উদ্ধার করা যায়৷

ভারতের নারী অধিকারকর্মীরা স্বভাবতই সর্বোচ্চ আদালতের এই রায়ে উৎফুল্ল৷ নিজে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং নারী অধিকার আন্দোলনকারী করুণা নন্দী আদালতের রায়ের পর একটি টুইটে বলেছেন: ‘‘দারুণ! অভিভাবকত্ব আইনকে স্ত্রী-পুরুষের সমানাধিকারের অনুবর্তী করার সময় এসেছিল৷''

এসি/ডিজি (পিটিআই, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়