1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সন্তানদের দোতলা থেকে ফেলে বাবা হলেন আসামী

নিজের তিনটি সন্তানকে ছুড়ে ফেলেছিলেন তিনি৷ সন্তানরা প্রাণে বেঁচেছে৷ তবে তাকে দাঁড়াতে হয়েছে কাঠগড়ায়৷ ছুড়ে ফেলে নিজের সন্তানদের জীবন বিপন্ন করার অভিযোগে এক সিরীয় শরণার্থীর বিরুদ্ধে মামলার শুনানি শুরু হয়েছে বন আদালতে৷

অভিযুক্ত ব্যক্তি ২০১৪ সালে সিরিয়া থেকে তুরস্ক, বুলগেরিয়া এবং ফ্রান্স হয়ে সপরিবারে জার্মানিতে প্রবেশ করেন৷ তখন তার সঙ্গে ছিল স্ত্রী আর দুই সন্তান৷ জার্মানিতে আসার পর ওই দম্পতির আরেক সন্তান হয়৷ গত ফেব্রুয়ারিতে বন শহরের কাছের লোমার এলাকার এক শরণার্থী আশ্রয় শিবিরের দোতলা থেকে এক এক করে তিন সন্তানকেই ছুড়ে ফেলেছিলেন তিনি৷ সাত বছর ও পাঁচ বছর বয়সি দুই ছেলের মাথা ফেটে যায়৷ শরীরের কয়েকটি হাড়ও ভেঙেছিল তাদের৷ এক বছর বয়সি ছেলেটি সৌভাগ্যক্রমে বড় দুই ভাইয়ের ওপরেই পড়েছিল৷ তাই এখানে-ওখানে একটু কেটে যাওয়া ছাড়া ওর আর বড় কিছু হয়নি৷ সন্তানদের ছুড়ে ফেলে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে বন শহরের আদালতে মামলা করেছিলেন সিরীয় ওই শরণার্থীর স্ত্রী৷ মঙ্গলবার ছিল সেই মামলার প্রথম শুনানির দিন৷

Deutschland Lohmar Flüchtlingsunterkunft Sturz von Kindern aus Fenster

লোমারের এই বাড়িতে পরিবারটি এখন আর থাকেনা

শুনানির সময় গায়ের নীল জামা তুলে মুখ ঢেকে হাঁটু গেড়ে বসেছিলেন অভিযুক্ত ব্যক্তি৷ তার আইনজীবী মার্টিন ক্রেটশনার জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেল এখন কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত৷ আইনজীবী আরো জানান, স্ত্রীকে ‘শিক্ষা' দেয়ার জন্যই সেদিন তাঁর মক্কেল সন্তানদের ছুড়ে মেরেছিল৷

আসামীপক্ষের আইনজীবী ক্রেটশনার আরো জানান, তিন সন্তানের জননী জার্মানিতে এসে সিরিয়ার মতো সবকিছু মেনে নিতে চাননি বলেই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত৷

৩৬ বছর বয়সি সিরীয় ওই শরণার্থী এর আগেও আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছেন৷ একবার স্ত্রীকে সসপ্যান দিয়ে পেটানোর অভিযোগে আদালত তাকে ১০ দিন পরিবার থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছিল৷ কিন্তু সেবার কয়েকদিন পর স্ত্রী-ই তাকে ফিরিয়ে নেন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়