1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

সঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মানুষ যা খোঁজে

সঙ্গী বা সঙ্গিনীর মধ্যে কী দেখে মানুষ বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়? কেবলই মুখশ্রী, দেহের গড়ন, শিক্ষা বা সামাজিক অবস্থান? নাকি অন্য কিছু?

গবেষকরা বলছেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অনকে বিষয়েই হয়ত মতের বা পছন্দের মিল থাকে৷ তবে গুরুত্বপূর্ণ মিলটি থাকে দু'জনের ডিএনএ গঠনে৷ অর্থাৎ, চোখ যাই খুঁজুক, বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী বাছাইয়ের সময় মানুষ আসলে কাছাকাছি ডিএনএ গঠনের কাউকেই খুঁজে ফেরে৷

এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ৮২৫টি দম্পতির জিন বিন্যাস পরীক্ষা করে দেখেছেন বিজ্ঞানীরা৷ সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী এই ১৬৫০ জন অ্যামেরিকানের সবাই নন-হিস্পানিক শ্বেতাঙ্গ, যাঁদের জন্ম হয়েছে ১৯৩০ থেকে ১৯৫০ সালের মধ্যে৷

Symbolbild Ehemuffel

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মিলটি থাকে দু'জনের ডিএনএ গঠনে

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের তহবিলে পরিচালিত এই গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের জিনবিন্যাস থেকে ১৭ লাখ ডিএনএ ব্লক (সিঙ্গেল নিউক্লিওটাইড পলিমরফিজম) মিলিয়ে দেখেছেন গবেষকরা৷ আবার স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যেসব বিষয়ে মিল পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর সঙ্গে তুলনা করার জন্য মিলিয়ে দেখা হয়েছে অন্য কোনো দম্পতির নারী বা পুরষের ডিএনএ-র সঙ্গেও৷

গবেষক দলের প্রধান কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বেঞ্জামিন ডমিঙ্গে বলেন, ‘‘আমরা জানি, মানুষ সাধারণত নিজের জাতি বা নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ভেতরেই প্রেম বা বিয়েতে অভ্যস্ত৷ আমরা এর মূল কারণগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি৷ আমরা কেবল একটি নির্দিষ্ট গ্রুপের মানুষের (নন হিস্পানিক, শ্বেতাঙ্গ) মধ্যেই গবেষণা সীমাবদ্ধ রেখেছি৷ তারপরও আমরা দেখেছি, প্রতিটি দম্পতির মাঝে জিনগত অনেক সাজুয্য রয়েছে৷''

ডমিঙ্গে বলেন, জিনগতভাবে মিল আছে এমন জীবনসঙ্গী বেছে নেয়ার আসল প্রক্রিয়াটি হয়ত অনেক জটিল, হয়ত আরো অনেক বিষয় এর সঙ্গে সম্পর্কিত৷ তবে পাত্র-পাত্রী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মানুষ সাধারণত একই ধরনের পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থান, মানসিক গঠন, শিক্ষা, জাতি-ধর্ম-বর্ণ, বয়স ও শারীরিক গড়ন খুটিয়ে দেখে৷ হয়ত এর মধ্যে দিয়েই তাঁরা নিজেদের অজান্তে নিজেদের মতো জিনবিন্যাসের কাউকে বাছাই করতে চায়৷

‘‘যেমন ধরুন, সম্ভাব্য সঙ্গী বা সঙ্গিনীর উচ্চতা মানুষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখে৷ লম্বা মানুষ লম্বা আরেকজনকেই বিয়ে করতে চায়৷ ফলে ওই দম্পতির ক্ষেত্রে একটি বিষয়ে জিনগত সাজুয্য তৈরি হয়৷ কিন্তু এই বাছাই প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি কীসের প্রভাবে নেয়া হয় – তা বলা কঠিন৷''

অন্য জাতি বা নৃগোষ্ঠী, মিশ্র জাতির দম্পতি বা সমকামীদের মধ্যে একই গবেষণা চালানো হলে আরো অনেক চমকপ্রদ তথ্য হয়ত বেরিয়ে আসবে বলই গবেষকদের বিশ্বাস৷

জেকে/ডিজি (রয়টার্স, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন