1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিতর্কের উত্তাপ বাড়ছে

বাগযুদ্ধ চলেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং প্রধান বিরোধী দল বিএনপি’র নেতাদের মধ্যে৷ অপরদিকে রয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল গঠনের এক বছর পূর্তি৷ তৃতীয়ত, ইউনূস ইস্যুতে নাকি নতুন সমঝোতার ফর্মুলা খুঁজছেন সরকার৷

default

সংবিধানই কি শেষে রাজনৈতিক বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে? ভোরের কাগজের ভাষ্যে সেই রকমই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে৷ পত্রিকাটি লিখছে: ‘মূলত মহাজোট সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় সংবিধান৷ সংবিধান সংশোধন, '৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া, রাষ্ট্রধর্ম, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম থাকবে কিনা - এসব বিষয় নিয়ে আলোচনার ঝড় ওঠে সংশ্লিষ্ট মহলে৷ সংবিধান সংশোধন বিষয়ে সরকার বিশেষ কমিটি করলেও আজো এর সুরাহা হয়নি৷... আগামীতে এ সমস্যা আরো প্রকট আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা৷'

সংবিধানে দৃশ্যত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা তো বহালই রাখা হচ্ছে৷ যদিও সব মহল তা নিয়েসন্তুষ্ট নয়৷ কালের কণ্ঠ তো একে সরাসরি রাজনৈতিক কৌশল আখ্যা দিয়েছে৷ তবে এ'ও জানিয়েছে যে, এই সরকারব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হবে৷ বিশেষ করে অন্তবর্তী সরকারের মেয়াদ সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে৷ বিশেষ কমিটির কো-চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্তর সর্বাধুনিক মন্তব্য ছাড়াও, কালের কণ্ঠ কমিটির সূত্রে জানাচ্ছে যে, নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক থাকলেও বিশেষ কমিটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে৷

যুদ্ধাপরাধের বিচার কতোদিনে? এ' প্রশ্ন তো সারা জাতির৷ এবং ঠিক সেই প্রশ্নই তুলেছে সমকাল৷ তাদের এবং অন্যান্য বহু পত্রিকার প্রতিবেদনেই ঐ একই বক্তব্যের প্রতিফলন ঘটেছে: জনবল ও কারিগরি সহযোগিতার অভাবে এক বছর পরেও গতি পায়নি ট্রাইব্যুনাল এবং তদন্ত সংস্থার কাজ৷ তদন্ত সংস্থা অন্তত ২০ এপ্রিলের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আশা করছে, বলে জানিয়েছে প্রথম আলো৷ তবে সমকালের খবর, ট্রাইব্যুনাল আপাতত বিচার শুরুর সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করতে নারাজ৷

ইউনূস ইস্যুর সমাধান নাকি আসন্ন৷ সরকার সমঝোতার নয়া ফর্মুলা খুঁজছেন, বলে খবর দিয়েছে দৈনিক জনকণ্ঠ৷ দৃশ্যত মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট ব্লেকের ঢাকা সফরের পরেই নাকি সরকারের শীর্ষ মহলের কঠোর অবস্থানে নমনীয়তা দেখা দিয়েছে৷ তবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস খুব সম্ভবত আর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদে ফিরে যেতে পারবেন না৷ পরিবর্তে তাঁকে হয়তো চেয়ায়ম্যান করা হতে পারে৷

গ্রন্থনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: সাগর সরওয়ার

সংশ্লিষ্ট বিষয়