1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

সংখ্যালঘু নির্যাতন: তোফায়েল-মিজান বিতর্ক

সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা বিচার করতে সরকার ব্যর্থ – বলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান৷ তাঁর এ কথাকে বিএনপি-জামায়াতের পক্ষের বক্তব্য বলে অভিহিত করেছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ৷

Bangladesch Hindus Überfall Jessore

(ফাইল ফটো)

শুক্রবার জাতীয় পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে অতিথি ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নসিম ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান৷ সেখানেই ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘‘গত ৫ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের আগে ও পরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, সরকার ও রাষ্ট্রের ব্যর্থতার জন্য তার বিচার হয়নি৷''

এরপর শিল্পমন্ত্রী তোফয়েল আহমেদ তাঁর বক্তব্যে ড. মিজানের সমালোচনা করে বলেন, ‘‘সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস কী কারণে সৃষ্টি হয়েছে সে বিষয়ে আপনারা কোনো কথা বলেন না৷ শুধু সরকারের সমালোচনা করেন৷ এ থেকেই বোঝা যায় যে, প্রকৃত বুদ্ধিজীবী ও বিএনপি-জামায়াতপন্থি বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে পার্থক্য৷ এই বক্তব্য প্রকারন্তরে বিএনপি জামায়াতের পক্ষেই যায়৷''

এর জবাবে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের বিচারে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে৷ এটা রাখ-ঢাক করে বলার কিছু নাই৷ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে শত শত অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে৷ এছাড়া অজ্ঞাতদের নামে পুলিশ গ্রেপ্তার বাণিজ্য চালিয়েছে৷ মূল অপরাধীদের আটক বা বিচারের মুখোমুখি করা হয়নি৷'' তিনি আরো বলেন, ‘‘সরকারমন্ত্রী হয়ত না বুঝেই কথা বলেছেন৷ আর তিনি (তোফয়েল আহমেদ) আমার বক্তব্যকে কেন বিএনপি-জামায়াতপন্থি বলেছেন তা তিনিই ভালো বলতে পারবেন৷''

ড. মিজান বলেন, ‘‘শুধু দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচারেই ব্যর্থতা নয়, সরকার আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রকৃত তথ্য তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে৷ ১৮ই মার্চের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে আলোচনায় সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোনো তথ্য তুলে ধরা হয়নি৷ উল্টে সেখানে সরকারবিরোধীরাই সরকারকে দায়ী করে তথ্য তুলে ধরেছে৷''

তাই তাঁর কথায়, ‘‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা যে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে হলে সরকারকে আন্তরিক হতে হবে৷ শুধু বিচারের কথা বলে বক্তৃতা দিলে চলবে না৷ অর্থাৎ বক্তৃতায় কথার ফুলঝুড়ি দিয়ে নয়, কাজ দিয়ে প্রমাণ করতে হবে৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন