1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় পদক্ষেপ প্রয়োজন’

বাংলাদেশসহ বিশ্বের নানা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে মে দিবস পালিত হচ্ছে৷ তবে তুরস্ক ও ফিলিপাইন্সে মে দিবসে বিক্ষোভ করেছে শ্রমিক ইউনিয়নগুলো৷ সামাজিক মাধ্যমে উঠে এসেছে সেসব খবর৷

পহেলা মে – আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস৷ কবে থেকে শুরু হলো মে দিবস পালন৷ একটু পেছনে ফেরা যাক৷ ১৮৮৬ সালের ১লা মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে হে মার্কেটের সামনে দৈনিক কাজের সময় আট ঘণ্টার দাবিতে হাজারো শ্রমিক জড়ো হয়েছিলেন৷ এ সময় পুলিশ শ্রমিকদের উপর অতর্কিত গুলিবর্ষণ শুরু করে৷ আর ১০-১২ জন নিরীহ শ্রমিক সেখানেই মারা যান৷

১৮৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লবের শতবার্ষিকীতে প্যারিসে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়৷ সেখানে ১৮৯০ সাল থেকে শিকাগো প্রতিবাদের বার্ষিকী আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দেশে পালনের প্রস্তাব করেন রেমন্ড লাভিনে৷ ১৮৯১ সালে এই প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়৷

তখন থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শ্রমজীবী মানুষ মে মাসের ১লা তারিখকে সরকারি ছুটির দিন হিসাবে পালনের দাবি জানায় এবং অনেক দেশে এটা কার্যকরও করা হয়৷ বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৮০টি দেশে ‘পহেলা মে' জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে ধার্য্য করা হয়েছে৷

নিশা বিসওয়াল টুইটারে লিখেছেন, ‘‘বাংলাদেশে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে মে দিবস পালিত হচ্ছে৷ তবে অধিকার রক্ষা করতে আরো অনেক কাজ করা প্রয়োজন৷''

সুরেশ চন্দ্র ডেইলিস্টারের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করে লিখেছেন, ‘‘আজ মে দিবস৷ কিন্তু বাংলাদেশের শ্রমিকরা এখনো সুবিধা বঞ্চিত৷''

শহীদুল আলম লিখেছেন, ‘‘চুরি কোরো না৷ সরকার প্রতিযোগিতা পছন্দ করে না৷''

ডেইজি আয়লিফে মে দিবস উপলক্ষ্যে একটি বিশেষ ব্লগ লিখেছেন, যেখানে বাংলাদেশের নারী শ্রমিকদের বঞ্চনার কথা বলা হয়েছে৷

জয় নাইড়ু লিখেছেন, ‘‘আমরা এমন একটি গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখছি, যা ক্ষুধা, বেকারত্ব এবং ভয় মুক্ত সমাজ দেবে৷''

এডি একটি প্রতিবেদন শেয়ার করে লিখেছেন, ‘‘মে দিবস উপলক্ষ্যে ফিলিপাইন্সে ‘চাবেস ভাইভ' ছড়িয়ে পড়েছে৷''

অ্যান্ড্রু মালয় সবাইকে মে দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন৷

ম্যাথু ওয়ার্ড কিছু ফুলের ছবি পোস্ট করে সবাইকে মে দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন৷

এরকান সাকা তুরস্কের শহর ইস্তান্বুলে মে দিবস উপলক্ষ্যে বিক্ষোভ ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষের খবরটি টুইট করেছে৷

সেলিন গিরিটও তুরস্কের বিক্ষোভ সমাবেশের ছবি পোস্ট করেছেন টুইটারে৷

তারেক ফাতাহ লিখেছেন, ‘‘ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে মে দিবস উপলক্ষ্যে কোনো প্যারেড বা অনুষ্ঠানের আয়োজন না থাকায় আমি ব্যথিত হয়েছি৷ এটা অবিশ্বাস্য৷ অন্তত মি. আম্বানি একটি শোভাযাত্রা করতে পারতেন৷''

নেহা দিক্ষিত লিখেছেন, ‘‘মে দিবসে আমার প্রার্থনা প্রতিটি শ্রমিকের যা প্রাপ্য তা যেন তারা পায়৷ তবে এখনো এ নিয়ে লড়াই চলছে৷''

সংকলন: অমৃতা পারভেজ

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়