1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

শেষ বলে টাই হলো ইংল্যান্ড ও ভারতের ম্যাচ

শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই শেষে শেষ পর্যন্ত টাই হলো ইংল্যান্ড এবং ভারতের ম্যাচ৷ একদিকে টেন্ডুলকারের সেঞ্চুরি, অন্যদিকে স্ট্রসের নায়কোচিত ইনিংস, সব মিলিয়ে ক্রিকেটের টানটান উত্তেজনা আবারও দেখা গেল চেন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে৷

default

সেঞ্চুরি করার পর টেন্ডুলকার

অধিনায়কের মতই খেলেছেন ইংলিশ অধিনায়ক অ্যান্ড্রু স্ট্রস৷ এর আগে ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে শ্রীলংকার ৩১৩ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডটা ভেঙ্গে যাওয়অর মতই মনে হচ্ছিল যতক্ষণ স্ট্রস ক্রিজে ছিলেন৷ কিন্তু ৪৩ ওভারের সময় ২৮১ রানের মাথায় জহির খানের বলে পরপর আউট হয়ে যান স্ট্রস এবং বেল৷ এরপর থেকেই খেলায় ফিরতে শুরু করে ভারত৷ শেষ ওভারে ১৪ রানের দরকার ছিল ইংল্যান্ডের৷ ইংলিশ ব্যটসম্যান শাহজাদের ছক্বার পর মনে হচ্ছিল জিতেই বুঝি যাচ্ছে ইংল্যান্ড৷ মুনাফ প্যাটেলের করা শেষ বলে দরকার ছিল দুই রান৷ কিন্তু এক রান করতে সমর্থ হয় ইংল্যান্ড৷ ফলে টাই হয় এই ম্যাচটি৷ ১৯৯৯ সালে অস্ট্রেলিয়া- দক্ষিণ আফ্রিকার সেমিফাইনালের পর আবারও একটি টানটান উত্তেজনার ম্যাচ দেখলো দর্শকরা৷ ইংলিশ অধিনায়ক স্ট্রসের ১৪৫ বলে ১৫৮ রানের এপিক ইনিংসের পাশাপাশি জহির খানের দুর্দান্ত বোলিংও মনে রাখা মত৷

এর আগে শচীন টেন্ডুলকারের অনবদ্য সেঞ্চুরির সুবাদে আবারও তিনশ রানের ঘর পার করে ভারত৷ প্রথম ম্যাচে ৩৭০ এর পর দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের সামনে দাড় করালো তারা ৩৩৯ রানের টার্গেট৷

রানের পরিমাণ আরও বেশি হতো যদি শেষ দুই ওভারে পাঁচ পাঁচটি উইকেটের পতন না ঘটতো৷ শেষের ঐ দুই ওভার বাদ দিলে গোটা ইনিংসের পুরো সময় ছিল ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের আধিপত্য৷ শুরুটা করেন বিরেন্দর শেবাগ৷ স্বভাবসুলভ ব্যাটিং দিয়ে ঝড় তুলেন এই মারকুটে ব্যাটসম্যান৷ মাত্র ২৬ বলে ৩৫ রান করে আউট হয়ে গেলেও এক প্রান্তে ছিলেন শচীন টেন্ডুলকার৷ বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান শচীন আবারও তিন অংকের ঘর পার হলেন৷ শুরুর দিকে কিছুটা সাবধান হয়ে খেললেও সময় যত গড়িয়েছে ততই তাঁর ব্যাট কথা বলেছে৷ দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে গম্ভীর এবং তৃতীয় উইকেট জুটিতে যুবরাজকে সঙ্গে নিয়ে বড় স্কোরের ভিত্তি করে দিয়েছেন এই মাস্টার ব্যাটসম্যান৷ ২৩৬ রানে শচীন আউট হয়ে গেলেও ভারত ততক্ষণে বড় স্কোরের দিকে এগিয়ে গিয়েছে৷ তার আগে ১০৩ বলে ৪৭ তম ওয়ানডে সেঞ্চুরিটি পূর্ণ করেন টেন্ডুলকার৷ তাঁর ১১৫ বলে ১২০ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে চার ছিল ১০টি আর ছক্কা মেরেছেন তিনি পাঁচটি৷

ইনিংসের এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল আবারও সাড়ে তিনশর ঘর পার হবে ভারত৷ তবে শেষ দিকে ব্যাটসম্যানরা তাড়াহুড়ো করে রান তোলার চেষ্টা করায় তা হয়নি৷ ৪৬তম ওভারে চতুর্থ উইকেটের পতন হওয়ার সময় রান ছিল ৩০৫৷ কিন্তু শেষ পাঁচ ওভারের মধ্যেই অল আউট ভারত৷ বিশেষ করে ৪৯ তম ওভারে ইংলিশ পেসার ব্রেসনেন পরপর দুটি উইকেট নেন৷ এর এক বল আবারও একটি রান আউট হয়৷ শেষ ওভারেও ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে আরও দুটি উইকেট হারায়৷ ফলে ৩৩৮ রানেই থেকে যায় ভারতের ইনিংস৷ ইংলিশ পেসার ব্রেসনেন ৪৮ রানে পাঁচটি উইকেট দখল করেন৷

প্রতিবেদন: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

সংশ্লিষ্ট বিষয়